ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নলতা ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও সমবায় সমিতির কর্তারা উধাও

Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৩৭ Time View
Print

হযরত আলী, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় চিকিৎসা সেবার আড়ালে গড়ে ওঠা একটি অনুমোদনহীন ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও সমবায় সমিতির নামে সাড়ে ৪ হাজার গ্রাহক এবং ৭০ জন শেয়ারহোল্ডারের প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে কতৃপক্ষের পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ দিন ধরে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে এই প্রতারণা চালানো হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চ মাসে কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ম্যাটসের সামনে একটি ভাড়া ভবনে ‘নলতা ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল’ নামে কার্যক্রম শুরু করে চক্রটি। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে এর আড়ালে ‘নলতা ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি অনুমোদনহীন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি গঠন করা হয়। চক্রটির মূল নেতৃত্বে ছিলেন মৌতলা গ্রামের মিলন হোসেন, হারুন অর রশিদ এবং সুজন আহমেদ। বুশরাসহ অতীতে বিভিন্ন প্রতারক প্রতিষ্ঠানের কায়দায় কালিগঞ্জ, দেবহাটা, আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায় মাঠকর্মী নিয়োগ করে এই জাল বিস্তার করা হয়।
স্থানীয়দের প্রলোভন দেখাতে মাসিক

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নলতা ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও সমবায় সমিতির কর্তারা উধাও

Update Time : ১১:০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

হযরত আলী, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় চিকিৎসা সেবার আড়ালে গড়ে ওঠা একটি অনুমোদনহীন ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও সমবায় সমিতির নামে সাড়ে ৪ হাজার গ্রাহক এবং ৭০ জন শেয়ারহোল্ডারের প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে কতৃপক্ষের পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ দিন ধরে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে এই প্রতারণা চালানো হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চ মাসে কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ম্যাটসের সামনে একটি ভাড়া ভবনে ‘নলতা ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল’ নামে কার্যক্রম শুরু করে চক্রটি। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে এর আড়ালে ‘নলতা ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি অনুমোদনহীন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি গঠন করা হয়। চক্রটির মূল নেতৃত্বে ছিলেন মৌতলা গ্রামের মিলন হোসেন, হারুন অর রশিদ এবং সুজন আহমেদ। বুশরাসহ অতীতে বিভিন্ন প্রতারক প্রতিষ্ঠানের কায়দায় কালিগঞ্জ, দেবহাটা, আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায় মাঠকর্মী নিয়োগ করে এই জাল বিস্তার করা হয়।
স্থানীয়দের প্রলোভন দেখাতে মাসিক