ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া, নতুন করে আশার আলো দেখছেন উপকূলবাসী

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৩ Time View
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃসাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত সংকট কাটিয়ে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। উপকূলীয় জনপদের মানুষের চিকিৎসাসেবার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানটিতে শুরু হয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম। এতে নতুন করে আশার আলো দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের অবকাঠামোগত দুরবস্থার কারণে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শয্যাসংকট ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হতো। ফলে উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন শ্যামনগরসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকার অসংখ্য মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমানের উদ্যোগ ও নিরলস প্রচেষ্টায় হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে। হাসপাতালের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ ও দৌড়ঝাঁপ করেছেন। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ভবন পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাজ শেষ হলে অতি দ্রুত ভবনটি রোগীদের চিকিৎসাসেবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশের পরিবর্তনেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ঝোপঝাড় ও বনজঙ্গল পরিষ্কারের ব্যবস্থা করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে যাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও নেওয়া হয়েছে কার্যকর পদক্ষেপ।হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, ডেলিভারি ওয়ার্ড, শিশু ওয়ার্ড, পুরুষ ওয়ার্ড ও মহিলা ওয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে আইপিএসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিজস্ব উদ্যোগে জরুরি বিভাগের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাও করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ও জরুরি চিকিৎসাসেবা সচল রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চলমান উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে নতুন ভবনটি চালু করা হলে শ্যামনগরের সাধারণ মানুষ আরও উন্নত, নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত উপকূলীয় এলাকার দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে। হাসপাতালের এমন ইতিবাচক পরিবর্তনে স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। ডা. জিয়াউর রহমানের দিকনির্দেশনা, আন্তরিকতা ও উদ্যোগে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নতুনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া, নতুন করে আশার আলো দেখছেন উপকূলবাসী

Update Time : ০৭:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃসাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত সংকট কাটিয়ে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে। উপকূলীয় জনপদের মানুষের চিকিৎসাসেবার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানটিতে শুরু হয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম। এতে নতুন করে আশার আলো দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের অবকাঠামোগত দুরবস্থার কারণে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে শয্যাসংকট ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হতো। ফলে উন্নত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন শ্যামনগরসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকার অসংখ্য মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমানের উদ্যোগ ও নিরলস প্রচেষ্টায় হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে। হাসপাতালের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তিনি নিজেই বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ ও দৌড়ঝাঁপ করেছেন। তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ভবন পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাজ শেষ হলে অতি দ্রুত ভবনটি রোগীদের চিকিৎসাসেবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশের পরিবর্তনেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ঝোপঝাড় ও বনজঙ্গল পরিষ্কারের ব্যবস্থা করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে যাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও নেওয়া হয়েছে কার্যকর পদক্ষেপ।হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, ডেলিভারি ওয়ার্ড, শিশু ওয়ার্ড, পুরুষ ওয়ার্ড ও মহিলা ওয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে আইপিএসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিজস্ব উদ্যোগে জরুরি বিভাগের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাও করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ও জরুরি চিকিৎসাসেবা সচল রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চলমান উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে নতুন ভবনটি চালু করা হলে শ্যামনগরের সাধারণ মানুষ আরও উন্নত, নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত উপকূলীয় এলাকার দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে। হাসপাতালের এমন ইতিবাচক পরিবর্তনে স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। ডা. জিয়াউর রহমানের দিকনির্দেশনা, আন্তরিকতা ও উদ্যোগে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নতুনভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।