ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে”শয়তানের নিঃশ্বাস”আতঙ্কে পুলিশ সুপারের বরাবর এলাকাবাসীর আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৪:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২১ Time View
Print

লুৎফর সিকদার- গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উত্তর গচাপাড়া গ্রামে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত কথিত ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার করে মানুষের ক্ষতি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারের বরাবর একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
আবেদনে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত সোহেল মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত অজ্ঞাত কোনো ক্ষতিকর পদার্থের গন্ধ বা ধোঁয়া ছড়িয়ে মানুষের ক্ষতি এবং ছিনতাই, লুটপাটসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো যাচাই হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, সম্প্রতি বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একই ধরনের কৌশল ব্যবহারের অভিযোগে একজনকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর নিজেদের এলাকাতেও এমন কোনো ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, কথিত ওই পদার্থের সংস্পর্শে এসে কেউ কেউ শারীরিক অসুস্থতা ও অস্বস্তি বোধ করছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব দাবির বৈজ্ঞানিক সত্যতা কিংবা ব্যবহৃত পদার্থের প্রকৃতি এখনো নিশ্চিত নয়।
এলাকাবাসী পুলিশ সুপারের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সন্দেহজনক কোনো পদার্থের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন তাঁরা।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল মোল্লার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

গোপালগঞ্জে”শয়তানের নিঃশ্বাস”আতঙ্কে পুলিশ সুপারের বরাবর এলাকাবাসীর আবেদন

Update Time : ০৪:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

লুৎফর সিকদার- গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উত্তর গচাপাড়া গ্রামে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত কথিত ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার করে মানুষের ক্ষতি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারের বরাবর একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
আবেদনে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত সোহেল মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত অজ্ঞাত কোনো ক্ষতিকর পদার্থের গন্ধ বা ধোঁয়া ছড়িয়ে মানুষের ক্ষতি এবং ছিনতাই, লুটপাটসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো যাচাই হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, সম্প্রতি বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একই ধরনের কৌশল ব্যবহারের অভিযোগে একজনকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর নিজেদের এলাকাতেও এমন কোনো ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, কথিত ওই পদার্থের সংস্পর্শে এসে কেউ কেউ শারীরিক অসুস্থতা ও অস্বস্তি বোধ করছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব দাবির বৈজ্ঞানিক সত্যতা কিংবা ব্যবহৃত পদার্থের প্রকৃতি এখনো নিশ্চিত নয়।
এলাকাবাসী পুলিশ সুপারের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সন্দেহজনক কোনো পদার্থের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছেন তাঁরা।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল মোল্লার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করেন।