রাউজানে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ অনুষ্ঠিত
- Update Time : ১০:০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১১ Time View

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান(চট্টগ্রাম):জ্ঞান শিক্ষা ও ধর্মীয় চেতনার নৈতিকতার আলোয় এগিয়ে যাক আমাদের আগামী প্রজন্ম”—এই প্রত্যয়ে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ (এসবিএস), চট্টগ্রাম উত্তর জেলার উদ্যোগে রাউজান শাখায় ‘বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাউজান সরকারি কলেজ ও নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা শুরু হয়। এবারের পরীক্ষায় তৃতীয় শ্রেণি থেকে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
আয়োজকদের সূত্রে জানা যায়, এবারের পরীক্ষায় শুধু হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার সময় ছিল ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
রাউজানের দুটি কেন্দ্রে এ বছর মোট প্রায় ২ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। প্রধান পরীক্ষক শিক্ষক সুজন দাশ ও শিখা রাণী দে-এর তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করেন।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন রাউজান সরকারি কলেজের প্রভাষক দীপেন দাশ ও নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জানে আলম, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি শ্রীমান দাশ শুভ, শান্তু বণিক, শানু কুমার দে ও আকাশ মজুমদারসহ সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বলেন, “আমরা চাই মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন পাক। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হবে।”
পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসু পালিত ও সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত, পৌর কমিটির সভাপতি সুদীপ দে, দীপ্ত চৌধুরী, বিপ্লব চৌধুরী, টিটু দাশ, এসবিএস রাউজান শাখার সভাপতি রাখাশ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক পুষ্পক রায়।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাপ্পা কুমার দাশ, বিনায়ক দে, প্রসঞ্জিত দে, পার্থ দে, বিজয় দে, লিটন শর্মা, ভোমর দাশ, অমর কৃষ্ণ দাশ, নিলয় ভট্টাচার্য, হিমাদ্রি পাল ইমন ও পাভেল চৌধুরীসহ রাউজান উপজেলা শাখার উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের সকল সদস্য।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করাই এ বৃত্তি পরীক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলে আগামী প্রজন্মকে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।



















