ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎বাংলা কিউআর’ নিয়ে দুমকিতে অগ্রণী ব্যাংকের বিশেষ কর্মসূচি

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪ Time View
Print

মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল ও ক্যাশলেস লেনদেনকে উৎসাহিত করতে পটুয়াখালীর দুমকিতে ‘বাংলা কিউআর’ নিয়ে বিশেষ ক্যাম্পেইন করেছে পবিপ্রবি শাখা অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি। ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের কিউআরভিত্তিক লেনদেনে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

‎সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপজেলার নতুন বাজারসংলগ্ন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) অগ্রণী ব্যাংক শাখার সামনে দিনব্যাপী এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়।

‎ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি অগ্রণী ব্যাংক শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. হেমায়েত হোসেন, সহকারী প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আনোয়ারুল হাকিম, সিনিয়র অফিসার মো. মিজানুর রহমান, রঞ্জন কুমার বিশ্বাস, ক্যাশ অফিসার ওমর ফারুক ও নুরই আলমসহ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

‎ক্যাম্পেইনে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারের সুবিধা, নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।একই সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে উৎসাহিত করা হয়।

‎সংশ্লিষ্টরা জানান, নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একটি কিউআর কোডের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাপ ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের সুযোগ থাকায় ব্যবসায়ী ও গ্রাহক উভয়ের জন্যই এ ব্যবস্থা তুলনামূলক সহজ ও সুবিধাজনক।

‎বর্তমানে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিকাশ, নগদ, রকেট ও বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য পৃথক কিউআর কোড ব্যবহার করতে হয়। ‘বাংলা কিউআর’ চালু হলে একটি কিউআর কোডের মাধ্যমেই বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এতে লেনদেনের হিসাব সংরক্ষণ সহজ হওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকিও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎এ বিষয়ে পবিপ্রবি অগ্রণী ব্যাংক শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘শুধু বড় শপিংমল কিংবা সুপারশপে নয়, ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মুদি দোকানেও বাংলা কিউআর কোড পৌঁছে যাবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

‎ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়লে নগদ অর্থের ব্যবহার ও বহনের ঝুঁকি কমবে। একই সঙ্গে লেনদেনের স্বচ্ছতা ও হিসাব সংরক্ষণে সুবিধা হবে। ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘বাংলা কিউআর’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

‎অগ্রণী ব্যাংকের এ ক্যাম্পেইনকে স্থানীয় পর্যায়ে ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণ এবং ক্যাশলেস বাংলাদেশ গঠনের পথে একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

‎বাংলা কিউআর’ নিয়ে দুমকিতে অগ্রণী ব্যাংকের বিশেষ কর্মসূচি

Update Time : ০৬:৪১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
Print

মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল ও ক্যাশলেস লেনদেনকে উৎসাহিত করতে পটুয়াখালীর দুমকিতে ‘বাংলা কিউআর’ নিয়ে বিশেষ ক্যাম্পেইন করেছে পবিপ্রবি শাখা অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি। ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের কিউআরভিত্তিক লেনদেনে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

‎সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপজেলার নতুন বাজারসংলগ্ন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) অগ্রণী ব্যাংক শাখার সামনে দিনব্যাপী এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়।

‎ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি অগ্রণী ব্যাংক শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. হেমায়েত হোসেন, সহকারী প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আনোয়ারুল হাকিম, সিনিয়র অফিসার মো. মিজানুর রহমান, রঞ্জন কুমার বিশ্বাস, ক্যাশ অফিসার ওমর ফারুক ও নুরই আলমসহ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

‎ক্যাম্পেইনে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারের সুবিধা, নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমানোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।একই সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে উৎসাহিত করা হয়।

‎সংশ্লিষ্টরা জানান, নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একটি কিউআর কোডের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাপ ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের সুযোগ থাকায় ব্যবসায়ী ও গ্রাহক উভয়ের জন্যই এ ব্যবস্থা তুলনামূলক সহজ ও সুবিধাজনক।

‎বর্তমানে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিকাশ, নগদ, রকেট ও বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য পৃথক কিউআর কোড ব্যবহার করতে হয়। ‘বাংলা কিউআর’ চালু হলে একটি কিউআর কোডের মাধ্যমেই বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এতে লেনদেনের হিসাব সংরক্ষণ সহজ হওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকিও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎এ বিষয়ে পবিপ্রবি অগ্রণী ব্যাংক শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘শুধু বড় শপিংমল কিংবা সুপারশপে নয়, ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মুদি দোকানেও বাংলা কিউআর কোড পৌঁছে যাবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

‎ব্যাংক কর্মকর্তারা বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়লে নগদ অর্থের ব্যবহার ও বহনের ঝুঁকি কমবে। একই সঙ্গে লেনদেনের স্বচ্ছতা ও হিসাব সংরক্ষণে সুবিধা হবে। ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘বাংলা কিউআর’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

‎অগ্রণী ব্যাংকের এ ক্যাম্পেইনকে স্থানীয় পর্যায়ে ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণ এবং ক্যাশলেস বাংলাদেশ গঠনের পথে একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।