ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অমূল্য এক সংগ্রহের ইসলামিক পাঠাগার

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / ১৫ Time View
Print

শ্রী সুপণ বিশ্বাস (স্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম।)
পাঠাগার এর অন্যতম মানে হল বই পাঠের ঘর, বই সংগ্রহ, কেনার ঘর বা বই রাখার বিশেষ ঘর বা অফিস। দেশ-বিদেশে পাঠাগার বা গ্রন্হাগার একটি শিক্ষা, সাহিত্য, ধম এবং সকল শ্রেণী- পেশার সকলের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্বম। নক্সবন্দীয়া হুসাইনিয়া ইসলামিক পাঠাগার তেমনি একটি গ্রামভিত্তিক, দরবারভিত্তিক পাঠাগার। এটি রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নে অবস্হিত নক্সাবন্দীয়া দরবার শরীফ এর নক্সবন্দীয়া হুসাইনীয়া আহমদিয়া মঞ্জিলে অবস্থিত। এটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন শাহসূফি হযরতুলহাজ্ব আল্লামা কাজী আব্দুল আজীজ আল নক্সবন্দীয়া (রহ:)’র দরবারের আওলাদ শাহজাদা কাজী জয়নুল আবেদীন রাশেদ।
এই ইসলামিক পাঠাগারটি প্রতিষ্টা হয় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে। বর্তমানে উক্ত পাঠাগারে হাজার খানেক বই আছে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কিতাবের মাঝে আছে তাম্বিহুল গাফেলিন, শানে কারবালা, হযরত আবু বক্কর ( রা:) এর জীবনি, আম সাওয়ারিফুল মরিন, আল-কাসায়েসুল কোবরা,খতমে বোখারী শরীফ (সব খন্ড), মাকামে নবুয়ত, ফতোয়ায়ে আলমগীরি, হায়াত মউত কবর হাশর প্রভৃতি।
পাশাপাশি আমিরে শরীয়ত, শাহেন শাহে আউলিয়া, পীরে কামেল, শাহসূফি হযরতুলহাজ্ব আল্লামা কাজী আবদুল আজীজ আল নক্সবন্দী (রাহমাতুল্লাহি তায়ালা আলাইহির)’র জীবনী শীর্ষক স্মরণীকাটি উক্ত ইসলামিক পাঠাগারে পাওয়া যাবে। আগত গুণীজন,সুধীজন দর্শনার্থী, পাঠক, আশেক – ভক্তরা চাইলে উক্ত স্মরণিকাটি সেখানে থেকে সংগ্রহ করতে পারবে।
এই পাঠাগারে বইপত্রের পাশাপাশি সৌদিআরব এর মক্কা, মদিনা এবং আরো বিভিন্ন স্হান হতে আনিত গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ইতিতাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও নিদর্শনের বহু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র রয়েছে। তার মধ্বে হল,পবিত্র কাবা শরীফ এর গীলাফের সুতো,
জবলে হুর পাহাড় এর পাথর, জবলে নূর পাহাড় এর পাথর, হুদায়রিরার সন্ধির পাথর, উহুদ পাহাড়ের পাথর, জেবলে মালাইকা, বদরের মাটি, জান্নাতুল মাওয়ার মাটি, গুনদম ফল, বিরে শেফার পানি, বিরে রুহার পানি, জমজম কূপের পানি প্রভৃতি। ধর্মতত্ত্ব, পীর-আউলিয়া, শিক্ষা-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্যে সংরক্ষণ, প্রসার প্রসারে উক্ত পাঠাগার এরই মাঝে দরবারের কমকর্তা, ভক্ত, আশেক, পাঠক ও শুভাকাঙ্গীদের মনে যথেষ্ট উৎসাহ যোগাচ্ছে। অনেকে আগ্রহ নিয়ে পাঠাগারটি পরিদর্শন করছেন। উক্ত পাঠাগারটি অমূল্য, দুর্লভ ও অনিন্দা সুন্দর বই ও জিনিসপত্রের সংগ্রহের বিশেষ স্থান হয়ে উঠেছে।নক্সবন্দীয়া হুসাইনিয়া ইসলামিক পাঠাগার নিয়ে প্রতিষ্টাতা, লেখক শাহজাদা কাজী জয়নুল আবেদীন
রাশেদ এর আরো অনেক পরিকল্পনা আছে। তিনি পাঠাগারের জন্য আরো কিতাব, বইপত্র, ম্যাগাজিন, পত্র- পত্রিকা, স্মরণিকা সহ নানান প্রকাশনা সংগ্রহ করতে চান। বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক, শিক্ষাবান্ধব, মানবিক সমাজ গঠনের জন্যই তাহার এই আন্তরিক বহুমুখী প্রয়াস। রাউজান প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, সূফিকথার উপদেষ্টা সম্পাদক বিশিষ্ট লেখক,সংগঠক ও ডিএক্সার কবি নুর মোহাম্মদ পাঠাগার পরিদর্শন করে পাঠাগারের কার্যক্রম ও কর্মপরিকল্পনার
ভূয়সী প্রশংসা করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

অমূল্য এক সংগ্রহের ইসলামিক পাঠাগার

Update Time : ১১:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
Print

শ্রী সুপণ বিশ্বাস (স্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম।)
পাঠাগার এর অন্যতম মানে হল বই পাঠের ঘর, বই সংগ্রহ, কেনার ঘর বা বই রাখার বিশেষ ঘর বা অফিস। দেশ-বিদেশে পাঠাগার বা গ্রন্হাগার একটি শিক্ষা, সাহিত্য, ধম এবং সকল শ্রেণী- পেশার সকলের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্বম। নক্সবন্দীয়া হুসাইনিয়া ইসলামিক পাঠাগার তেমনি একটি গ্রামভিত্তিক, দরবারভিত্তিক পাঠাগার। এটি রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নে অবস্হিত নক্সাবন্দীয়া দরবার শরীফ এর নক্সবন্দীয়া হুসাইনীয়া আহমদিয়া মঞ্জিলে অবস্থিত। এটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন শাহসূফি হযরতুলহাজ্ব আল্লামা কাজী আব্দুল আজীজ আল নক্সবন্দীয়া (রহ:)’র দরবারের আওলাদ শাহজাদা কাজী জয়নুল আবেদীন রাশেদ।
এই ইসলামিক পাঠাগারটি প্রতিষ্টা হয় ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে। বর্তমানে উক্ত পাঠাগারে হাজার খানেক বই আছে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কিতাবের মাঝে আছে তাম্বিহুল গাফেলিন, শানে কারবালা, হযরত আবু বক্কর ( রা:) এর জীবনি, আম সাওয়ারিফুল মরিন, আল-কাসায়েসুল কোবরা,খতমে বোখারী শরীফ (সব খন্ড), মাকামে নবুয়ত, ফতোয়ায়ে আলমগীরি, হায়াত মউত কবর হাশর প্রভৃতি।
পাশাপাশি আমিরে শরীয়ত, শাহেন শাহে আউলিয়া, পীরে কামেল, শাহসূফি হযরতুলহাজ্ব আল্লামা কাজী আবদুল আজীজ আল নক্সবন্দী (রাহমাতুল্লাহি তায়ালা আলাইহির)’র জীবনী শীর্ষক স্মরণীকাটি উক্ত ইসলামিক পাঠাগারে পাওয়া যাবে। আগত গুণীজন,সুধীজন দর্শনার্থী, পাঠক, আশেক – ভক্তরা চাইলে উক্ত স্মরণিকাটি সেখানে থেকে সংগ্রহ করতে পারবে।
এই পাঠাগারে বইপত্রের পাশাপাশি সৌদিআরব এর মক্কা, মদিনা এবং আরো বিভিন্ন স্হান হতে আনিত গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ইতিতাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও নিদর্শনের বহু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র রয়েছে। তার মধ্বে হল,পবিত্র কাবা শরীফ এর গীলাফের সুতো,
জবলে হুর পাহাড় এর পাথর, জবলে নূর পাহাড় এর পাথর, হুদায়রিরার সন্ধির পাথর, উহুদ পাহাড়ের পাথর, জেবলে মালাইকা, বদরের মাটি, জান্নাতুল মাওয়ার মাটি, গুনদম ফল, বিরে শেফার পানি, বিরে রুহার পানি, জমজম কূপের পানি প্রভৃতি। ধর্মতত্ত্ব, পীর-আউলিয়া, শিক্ষা-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্যে সংরক্ষণ, প্রসার প্রসারে উক্ত পাঠাগার এরই মাঝে দরবারের কমকর্তা, ভক্ত, আশেক, পাঠক ও শুভাকাঙ্গীদের মনে যথেষ্ট উৎসাহ যোগাচ্ছে। অনেকে আগ্রহ নিয়ে পাঠাগারটি পরিদর্শন করছেন। উক্ত পাঠাগারটি অমূল্য, দুর্লভ ও অনিন্দা সুন্দর বই ও জিনিসপত্রের সংগ্রহের বিশেষ স্থান হয়ে উঠেছে।নক্সবন্দীয়া হুসাইনিয়া ইসলামিক পাঠাগার নিয়ে প্রতিষ্টাতা, লেখক শাহজাদা কাজী জয়নুল আবেদীন
রাশেদ এর আরো অনেক পরিকল্পনা আছে। তিনি পাঠাগারের জন্য আরো কিতাব, বইপত্র, ম্যাগাজিন, পত্র- পত্রিকা, স্মরণিকা সহ নানান প্রকাশনা সংগ্রহ করতে চান। বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক, শিক্ষাবান্ধব, মানবিক সমাজ গঠনের জন্যই তাহার এই আন্তরিক বহুমুখী প্রয়াস। রাউজান প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, সূফিকথার উপদেষ্টা সম্পাদক বিশিষ্ট লেখক,সংগঠক ও ডিএক্সার কবি নুর মোহাম্মদ পাঠাগার পরিদর্শন করে পাঠাগারের কার্যক্রম ও কর্মপরিকল্পনার
ভূয়সী প্রশংসা করেন।