ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভ্যাপসা গরমে জীবননগরে লোডশেডিংয়ের কবলে সাধারণ মানুষ, স্বস্তির খোঁজে জনতা

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২৮ Time View
Print

প্রতিবেদক: মোহাম্মদ রিকাবুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র
জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা:
আষাঢ়ের তীব্র গরম আর সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই চলছে বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়ার খেলা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের বেলায় প্রচণ্ড রোদের উত্তাপ আর রাতের বেলায় বাতাসহীন ভাপসা গরমে মানুষ অতিষ্ঠ। এর মধ্যে নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের কষ্টের কোনো সীমা নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজের মালামাল নষ্ট হচ্ছে এবং ডিজিটাল মেশিনে কাজ করা যাচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা রাতে মোমবাতি বা চার্জার লাইট জ্বালিয়ে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছে। তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমরা নিয়মিত বিল দিচ্ছি, তাহলে কেন এই চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে? বিদ্যুৎ কখন আসে আর কখন যায় তার কোনো ঠিকঠিকানা নেই।”
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে বিদ্যুতের এই লোডশেডিং কাটিয়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বিদ্যুৎ বিভাগ দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে এবং পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে জনগণের সাধুবাদ অর্জন করবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ভ্যাপসা গরমে জীবননগরে লোডশেডিংয়ের কবলে সাধারণ মানুষ, স্বস্তির খোঁজে জনতা

Update Time : ০৬:০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
Print

প্রতিবেদক: মোহাম্মদ রিকাবুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র
জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা:
আষাঢ়ের তীব্র গরম আর সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই চলছে বিদ্যুতের এই আসা-যাওয়ার খেলা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের বেলায় প্রচণ্ড রোদের উত্তাপ আর রাতের বেলায় বাতাসহীন ভাপসা গরমে মানুষ অতিষ্ঠ। এর মধ্যে নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের কষ্টের কোনো সীমা নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ফ্রিজের মালামাল নষ্ট হচ্ছে এবং ডিজিটাল মেশিনে কাজ করা যাচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা রাতে মোমবাতি বা চার্জার লাইট জ্বালিয়ে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছে। তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমরা নিয়মিত বিল দিচ্ছি, তাহলে কেন এই চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে? বিদ্যুৎ কখন আসে আর কখন যায় তার কোনো ঠিকঠিকানা নেই।”
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে বিদ্যুতের এই লোডশেডিং কাটিয়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বিদ্যুৎ বিভাগ দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে এবং পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে জনগণের সাধুবাদ অর্জন করবে।