বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে ফুড সেফটি মুভমেন্টের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন এ.কে.এম. মুজাহিদুল ইসলাম
- Update Time : ১১:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
- / ৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা, ২৭ জুন: বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস ও ফুড সেফটি মুভমেন্টের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বিজয়নগরে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) কনফারেন্স হলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্মানিত প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুস সালাম। সভাপতিত্ব করেন ফুড সেফটি মুভমেন্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহমুদুল ইসলাম সেলিম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক সচিব ও পরিচালক ড. আলোনায়ার ফারুক।
অনুষ্ঠানে দেশের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ জাতি গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সাংবাদিক ও তরুণ উদ্যোক্তা এ.কে.এম. মুজাহিদুল ইসলামকে ফুড সেফটি মুভমেন্টের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের সকলের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”
উল্লেখ্য, এ.কে.এম. মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ইতোমধ্যে একাধিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য “কৃতি সাংবাদিক সম্মাননা”, সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ব শান্তি দিবস সম্মাননা এবং সফল উদ্যোক্তা হিসেবে উদ্যোক্তা সম্মাননা লাভ করেছেন।
বর্তমানে তিনি স্মার্ট হোস্টেল, স্মার্ট মিডিয়া টেক ও স্মার্ট এডুকেশন কনসালটেন্সির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, দৈনিক ভোরের হাওয়া পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং ফেইথ গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, সমাজসেবী, ব্যবসায়ী ও ফুড সেফটি মুভমেন্টের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।



















