👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভনে সাত বছর সম্পর্কের অভিযোগ, বিয়ের দাবিতে গিয়ে তরুণীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৭:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৯ Time View
Print

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিয়ের আশ্বাসে এক তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে মোস্তাক হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ওই যুবক অন্যত্র বিয়ে করেছেন জানতে পেরে বিয়ের দাবিতে তাঁর বাড়িতে যান ওই তরুণী। এ সময় যুবক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তরুণীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মাধবখালী বটতলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাধবখালী বটতলাপাড়ার নিশিতা খাতুন (২০) নামে ওই তরুণীর সঙ্গে একই এলাকার মোস্তাক হোসেনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। তরুণীর মা মোছা. ফুলজান খাতুনের অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মোস্তাক প্রায় সাত বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে নিজের বাড়ি ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে নিয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। তবে বিভিন্ন অজুহাতে বিয়ে না করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্প্রতি বিয়ের জন্য চাপ দিলে মোস্তাক একটি সাদা কাগজে তরুণীর স্বাক্ষর নেন এবং তাঁকে বিয়ে করেছেন বলে জানান। তবে বিষয়টি গোপন রেখে তিনি অন্যত্র বিয়ে করেন। এ খবর জানতে পেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিয়ের দাবিতে মোস্তাকের বাড়িতে যান নিশিতা। এ সময় মোস্তাকসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তরুণীর মা।

ফুলজান খাতুনের আরও অভিযোগ, মারধরের একপর্যায়ে তাঁর মেয়ের হাতে বিষের বোতল দিয়ে বিষ পান করে মারা যেতে বলা হয়। পরে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে জীবননগন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় তরুণীর মা মোছা. ফুলজান খাতুন বাদী হয়ে মোস্তাক হোসেন, তাঁর বাবা সোনা মিয়া (৬০) ও ভাই রাজা মিয়ার (৩৫) বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে মারধর, প্রতারণা ও হুমকির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জীবননগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান বলেন, “এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

বিয়ের প্রলোভনে সাত বছর সম্পর্কের অভিযোগ, বিয়ের দাবিতে গিয়ে তরুণীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ

Update Time : ০৭:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Print

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি:চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিয়ের আশ্বাসে এক তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছর ধরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে মোস্তাক হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ওই যুবক অন্যত্র বিয়ে করেছেন জানতে পেরে বিয়ের দাবিতে তাঁর বাড়িতে যান ওই তরুণী। এ সময় যুবক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তরুণীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মাধবখালী বটতলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাধবখালী বটতলাপাড়ার নিশিতা খাতুন (২০) নামে ওই তরুণীর সঙ্গে একই এলাকার মোস্তাক হোসেনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। তরুণীর মা মোছা. ফুলজান খাতুনের অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মোস্তাক প্রায় সাত বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে নিজের বাড়ি ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে নিয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। তবে বিভিন্ন অজুহাতে বিয়ে না করে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সম্প্রতি বিয়ের জন্য চাপ দিলে মোস্তাক একটি সাদা কাগজে তরুণীর স্বাক্ষর নেন এবং তাঁকে বিয়ে করেছেন বলে জানান। তবে বিষয়টি গোপন রেখে তিনি অন্যত্র বিয়ে করেন। এ খবর জানতে পেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিয়ের দাবিতে মোস্তাকের বাড়িতে যান নিশিতা। এ সময় মোস্তাকসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তরুণীর মা।

ফুলজান খাতুনের আরও অভিযোগ, মারধরের একপর্যায়ে তাঁর মেয়ের হাতে বিষের বোতল দিয়ে বিষ পান করে মারা যেতে বলা হয়। পরে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে জীবননগন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় তরুণীর মা মোছা. ফুলজান খাতুন বাদী হয়ে মোস্তাক হোসেন, তাঁর বাবা সোনা মিয়া (৬০) ও ভাই রাজা মিয়ার (৩৫) বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে মারধর, প্রতারণা ও হুমকির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জীবননগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান বলেন, “এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”