ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা; পেটের সন্তানও রক্ষা পায়নি

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ১১:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০ Time View
Print

​আবু তালেব, স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জঃ

​নারায়ণগঞ্জে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের পর বীভৎসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা কেবল ওই নারীকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, তার গর্ভস্থ সন্তানকে বের করে এনে নৃশংসতা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এই পৈশাচিক ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রাতে ভুক্তভোগী নারী নিজ বাড়িতে একা ছিলেন। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেট চিরে গর্ভস্থ সন্তানকে বের করে আনা হয়। ঘটনাস্থলেই মা ও অনাগত সন্তান উভয়ের মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকরা পালিয়ে যায়।
​আজ সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের দরজা খোলা দেখে ভেতরে প্রবেশ করলে এই হাড়হিম করা দৃশ্য দেখতে পান। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
​নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান:
​”প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত এবং চরম নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।”
​এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা সড়ক অবরোধ করেন। এলাকাবাসীর দাবি, এলাকায় মাদক ও অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের জঘন্য ঘটনা ঘটছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

নারায়ণগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা; পেটের সন্তানও রক্ষা পায়নি

Update Time : ১১:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
Print

​আবু তালেব, স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জঃ

​নারায়ণগঞ্জে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধর্ষণের পর বীভৎসভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তরা কেবল ওই নারীকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, তার গর্ভস্থ সন্তানকে বের করে এনে নৃশংসতা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এই পৈশাচিক ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রাতে ভুক্তভোগী নারী নিজ বাড়িতে একা ছিলেন। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেট চিরে গর্ভস্থ সন্তানকে বের করে আনা হয়। ঘটনাস্থলেই মা ও অনাগত সন্তান উভয়ের মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘাতকরা পালিয়ে যায়।
​আজ সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের দরজা খোলা দেখে ভেতরে প্রবেশ করলে এই হাড়হিম করা দৃশ্য দেখতে পান। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
​নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান:
​”প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত এবং চরম নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।”
​এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা সড়ক অবরোধ করেন। এলাকাবাসীর দাবি, এলাকায় মাদক ও অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের জঘন্য ঘটনা ঘটছে।