একতা ও সৌহার্দ্যের বার্তায় জবিতে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের যাত্রা
- Update Time : ০৭:৫৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
- / ৫ Time View

রাকিব মাহী,জবি প্রতিনিধি
একতা, সৌহার্দ্য এবং’খেলায় জয়, মননে জয়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা গড়ে তুলতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম আবর্তনের আন্তঃবিভাগ প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই ) সকাল ৮ ঘটিকায় পোগোজ স্কুল মাঠে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং বাংলা বিভাগের খেলার মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তামজিদ ইমাম অর্নব, সদস্য ইয়াসিন সাইফসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তামজিদ ইমাম অর্ণব বলেন, ” আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময়ই তারুণ্যের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ধারার কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত ইতিবাচক। আমি বিশ্বাস করি, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “২১তম আবর্তনের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের এমন আয়োজনে আমরা পাশে থাকব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলাধুলার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করি।”
২১তম আবর্তনের সমন্বয়ক আশরাফুল ইসলাম সায়েম বলেন, “এই টুর্নামেন্টের মূল লক্ষ্য বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং দলগত চেতনা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। জয়-পরাজয়ের চেয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলাকেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “২১তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে এ আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আরও বড় পরিসরে এমন ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।”
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলোকে ঘিরে পোগোজ স্কুল মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নিজ নিজ বিভাগের দলকে সমর্থন জানাতে সকাল থেকেই মাঠে ভিড় করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের উচ্ছ্বাস, করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। খেলোয়াড়দের মধ্যেও ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি ক্রীড়াসুলভ মনোভাব ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের চিত্র।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ প্রতিযোগিতা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং দলগত চেতনা গড়ে উঠবে যা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


















