শার্শা-বেলতলার টাউট সোহাগের বিরুদ্ধে আবারো সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে
- Update Time : ১১:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
- / ২১ Time View

স্টাফ রিপোর্টারঃ
যশোরের শার্শা উপজেলার দুই ক্ষুদ্র বেকারি মালিকের কাছে -সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগকারী (১) উপজেলার বসতপুর গ্রামের ওমর আলী শেখের ছেলে মো: ইসমাইল হোসেন (৫২)
তিনি জানান, দীর্ঘদিন অন্যের বেকারিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করার পর নিজস্ব উদ্যোগে একটি ছোট বেকারি গড়ে তুলে কেক, রুটি ও বিস্কুট তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। আমার বেকারীর বয়স মাত্র ১ বছর।এ বেকারিই তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৯ জুন দুপুর আনুমানিক ১২:৩০ টার দিকে সাংবাদিক পরিচয়ে উপজেলার বাগুড়ী গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে অশিক্ষিত বর্বর-সোহাগ হোসেন, একই গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শাহারুল ইসলাম রাজ,ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনর ছেলে মিজানুর রহমান ও অজ্ঞাতনামা একজন সহ চার ব্যক্তি তার বেকারিতে প্রবেশ করে কোনো অনুমতি ছাড়াই বেকারির ভেতরে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ৪ হাজার টাকা দাবি করেন। যদি বাড়াবাড়ি করো তাহলে তোমার বেকারির কারখানা ইউএনও সাহেবকে দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হবে।আমাদের কলমের মূল্য অনেক এখনই মোবাইল কোড করতে পারি বলে।বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে তারা ।একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে ১০০০ টাকা তুলে দিই-এই টাকা পেয়ে তারা রাগান্বিত হয় এবং বলে বিকাশ নম্বরে বাকি টাকা সন্ধ্যার ভেতরে পাঠিয়ে দিবা।
একই দিনে একই এলাকার মৃত মতলেব গাজীর ছেলে আবুল হোসেনের বেকারিতে বেলা ১:০০ টার দিকে সাংবাদিক পরিচয় দানকারী সোহাগ হোসেন সহ ৪ জন প্রবেশ করে উপরে উল্লেখিত বিষয়ের মত ঘটনা ঘটিয়ে ১০০০০ টাকা দাবি করেন-
টাকা না দিলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বেকারি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবুল হোসেন দাবি করেন, ভয়ভীতির মুখে তিনি সেদিনের বিক্রির ৩ হাজার টাকা অভিযুক্তদের একজন সোহাগ হোসেনের হাতে তুলে দেন। কিন্তু এতে সন্তুষ্ট না হয়ে তারা আরও টাকা দাবি করেন এবং নির্দিষ্ট একটি বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
তারা আরও বলেন, একজন দরিদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে এ ধরনের ঘটনায় তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য ইউএনও ও ওসির কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
((উল্লেখ্য টাউট চাঁদাবাজ সোহাগের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে এমনকি চাঁদাবাজির অভিযোগে সাতক্ষীরা জেলায় হাজত বাস করেন ইতিমধ্যে আরও একটি চাঁদাবাজির চাঁদাবাজির মামলা শার্শার আমলী আদালতে চলমান রয়েছে যাহা সিআইডি তদন্তে আছে।))
এদিকে এই অভিযোগের বিষয়ে সোহাগ হোসেনের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন টাকা নেওয়ার বিষয়টি সত্য নয়।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ জানান,এ ব্যপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত পূর্বক এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।









