মাদক-ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাকৃবিতে ছাত্রদলের সেমিনার
- Update Time : ০৩:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১২ Time View

বাকৃবি প্রতিনিধি:বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাসে মাদক, চুরি, ডেঙ্গু ও অন্যান্য শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের লক্ষ্যে সেমিনার ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে বাকৃবি শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সংলগ্ন মিনি কনফারেন্স রুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো. আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কৃষিবিদ এ. এম. শোয়াইব।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাফরউল্ল্যাহ কাজল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম, সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, প্রোক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল আলীম এবং নিরাপত্তা কাউন্সিলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদিউজ্জামান খান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক নেতৃবৃন্দ, আবাসিক এলাকার বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে বাকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো. আতিকুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থ শিক্ষাজীবন নিশ্চিত করা কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি তাদের ন্যায্য অধিকার। ক্যাম্পাসে মাদক, চুরি ও ডেঙ্গুর মতো সমস্যার সমাধানে শুধু আশ্বাস নয়, দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ চাই। মাদকের প্রবেশ বন্ধ, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো সমস্যাকে রাজনৈতিক বিতর্কে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবসম্মত সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। একটি মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আপসহীন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, “মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে শিক্ষাঙ্গনকে রক্ষা করা এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে এর কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। অপরাধীরা শাস্তি ভোগের পরও পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাই শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থা নয়, মাদকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীসহ সবাইকে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে ক্যাম্পাসে মাদক প্রবেশের সব পথ বন্ধ করতে হবে এবং নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যারা ইতোমধ্যে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে, তাদের যথাযথ পরামর্শ, সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ছাত্রসংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”























