কালিগঞ্জে ৫৫ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি, বিসর্জন হচ্ছে না তিন মন্দিরে
- Update Time : ০৮:৩১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১১ Time View

মোঃ মহাসিন, খুলনা বিভাগীয়, প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬। তিথি-নক্ষত্রের ভিন্নতার কারণে এ বছর ছয় দিন ধরে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা চলে। তবে উপজেলার ৫৫টি পূজামণ্ডপের মধ্যে বিশেষ কারণে তিনটি মন্দিরে প্রতিমা বিসর্জন হচ্ছে না।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে যাত্রা মঙ্গল পাঠ এবং সন্ধ্যায় বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এ বছর কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে মোট ৫৫টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়।
দুর্গোৎসবের শেষ দিনে বিভিন্ন মণ্ডপে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পূজা-অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর মধ্য দিয়ে ভক্তদের মধ্যে একদিকে যেমন আনন্দের আবহ তৈরি হয়, অন্যদিকে দেবীর বিদায়ে দেখা দেয় বিষাদের সুর।
তবে ৫৫টি পূজামণ্ডপের মধ্যে তিনটি মন্দিরে এবার প্রতিমা বিসর্জন হচ্ছে না। মন্দির তিনটি হলো—ডেমরাইল দুর্গা মন্দির, পিরোজপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির ও গোবিন্দকাটী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির।
এসব মন্দিরে প্রতিমা বিসর্জন না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রণজিৎ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক ড. মিলন কুমার ঘোষ।
সাধারণত শারদীয় দুর্গোৎসব পাঁচ দিনের ধর্মীয় আয়োজন হিসেবে পরিচিত। তবে তিথি ও নক্ষত্রের হিসাব অনুযায়ী কোনো কোনো বছর পূজার আনুষ্ঠানিকতা চার, পাঁচ কিংবা ছয় দিন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। এ বছর কালিগঞ্জে ছয় দিন ধরে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় মহাসপ্তমীর পূজা দুই দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উৎসব ও বিজয়ার আবহের মধ্য দিয়ে কালিগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর মধ্য দিয়ে ভক্তরা এখন অপেক্ষা করছেন আগামী বছরের দুর্গোৎসবের।




















