ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একনজর ছেলেকে দেখার আকুতি বুকেই চেপে রইল: বিএনপির অমানবিকতায় এক মায়ের ট্র্যাজিক বিদায়

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০ Time View
Print

৷৷ আনোয়ার মাহমুদ ৷৷

রাজনীতির হিংস্রতা ও বর্তমান সরকারের চরম অমানবিক আচরণের চড়া মাশুল দিতে হলো এক অসহায় মা-কে। সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মা সন্ধ্যা রানী ধর জীবনের শেষ মুহূর্তে শুধু চেয়েছিলেন কারাবন্দি ছেলেকে একবার চোখের সামনে দেখতে। ক্যানসারে আক্রান্ত, শয্যাশায়ী মা আকুল হয়ে আকুতি জানিয়েছিলেন, “আমার যদি কিছু হয়, আমার ছেলেও বাঁচবে না… আমি থাকা অবস্থায় আমার ছেলেকে একটু বাহির করে দাও তাহলে কোথায় আজ মানুষের মানুষের শরণবতী

কিন্তু এই চরম মানবিক আবেদনেও সাড়া দেয়নি বিএনপি সরকার! বারবার জামিন আবেদন নাকচ এবং মুমূর্ষু মাকে দেখতে দেওয়ার জন্য প্যারোলের আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সরকারের এই প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতির কারণে শেষ পর্যন্ত ছেলেকে দেখার অপূর্ণ ইচ্ছা নিয়েই চিরবিদায় নিতে হলো এই রত্নগর্ভা মা-কে।

রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে যেখানে সামান্যতম অনুকম্পা ও মানবিকতা আশা করা হয়েছিল, সেখানে বর্তমান বিএনপির ফ্যাসিবাদী মনোভাব ও প্রশাসনিক নিষ্ঠুরতা আবারও উন্মোচিত হলো। একটি বন্দি সন্তানের প্রতি সরকারের এই অমানবিক আচরণ এবং এক মায়ের মৃত্যুর প্রাক্কালে দেওয়া আকুতি উপেক্ষা করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক চরম ও ঘৃণ্য নজির।
বাংলার সাধারণ মানুষ
ধিক্কার জানিয়েছেন এই অমানবিক রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থাকে!

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

একনজর ছেলেকে দেখার আকুতি বুকেই চেপে রইল: বিএনপির অমানবিকতায় এক মায়ের ট্র্যাজিক বিদায়

Update Time : ০৩:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

৷৷ আনোয়ার মাহমুদ ৷৷

রাজনীতির হিংস্রতা ও বর্তমান সরকারের চরম অমানবিক আচরণের চড়া মাশুল দিতে হলো এক অসহায় মা-কে। সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মা সন্ধ্যা রানী ধর জীবনের শেষ মুহূর্তে শুধু চেয়েছিলেন কারাবন্দি ছেলেকে একবার চোখের সামনে দেখতে। ক্যানসারে আক্রান্ত, শয্যাশায়ী মা আকুল হয়ে আকুতি জানিয়েছিলেন, “আমার যদি কিছু হয়, আমার ছেলেও বাঁচবে না… আমি থাকা অবস্থায় আমার ছেলেকে একটু বাহির করে দাও তাহলে কোথায় আজ মানুষের মানুষের শরণবতী

কিন্তু এই চরম মানবিক আবেদনেও সাড়া দেয়নি বিএনপি সরকার! বারবার জামিন আবেদন নাকচ এবং মুমূর্ষু মাকে দেখতে দেওয়ার জন্য প্যারোলের আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সরকারের এই প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতির কারণে শেষ পর্যন্ত ছেলেকে দেখার অপূর্ণ ইচ্ছা নিয়েই চিরবিদায় নিতে হলো এই রত্নগর্ভা মা-কে।

রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে যেখানে সামান্যতম অনুকম্পা ও মানবিকতা আশা করা হয়েছিল, সেখানে বর্তমান বিএনপির ফ্যাসিবাদী মনোভাব ও প্রশাসনিক নিষ্ঠুরতা আবারও উন্মোচিত হলো। একটি বন্দি সন্তানের প্রতি সরকারের এই অমানবিক আচরণ এবং এক মায়ের মৃত্যুর প্রাক্কালে দেওয়া আকুতি উপেক্ষা করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক চরম ও ঘৃণ্য নজির।
বাংলার সাধারণ মানুষ
ধিক্কার জানিয়েছেন এই অমানবিক রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থাকে!