ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনিয়মের অভিযোগে ইউএনওর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৪ Time View
Print

মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা। বিক্ষোভকারীরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনওকে দুমকী থেকে অপসারণের দাবি জানিয়ে অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

‎মঙ্গলবার(১১ আগস্ট) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে দুমকী-বাউফল মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন অংশগ্রহণকারীরা। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

‎মানববন্ধন ও বিক্ষোভে বক্তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁদের অভিযোগ, ইউএনও নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না। মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেও তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

‎কোনো সেবা গ্রহীতা সাক্ষাৎ করতে গেলে তাঁকে সহজে কক্ষে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয় না এবং জরুরি প্রয়োজনে ফোন করলেও ফোন রিসিভ করা হয় না বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

‎এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম, গত ৫ আগস্ট জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট জুলাই যোদ্ধাদের দাওয়াত না দেওয়াসহ আরও বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন তাঁরা।

‎বিক্ষোভে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম, সারমিন আক্তার স্বর্ণা, সাইফুল আলম, আবু রাফি এবং শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়ড়া এলাকার বাসিন্দা নাজেম সরদারসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।

‎বক্তারা বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনওকে অপসারণ করা না হলে দুমকীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

‎অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অডিও বা ভিডিও বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

‎এ বিষয়ে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

অনিয়মের অভিযোগে ইউএনওর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

Update Time : ০৯:৪০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
Print

মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা। বিক্ষোভকারীরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনওকে দুমকী থেকে অপসারণের দাবি জানিয়ে অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

‎মঙ্গলবার(১১ আগস্ট) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে দুমকী-বাউফল মহাসড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন অংশগ্রহণকারীরা। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

‎মানববন্ধন ও বিক্ষোভে বক্তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁদের অভিযোগ, ইউএনও নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না। মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেও তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

‎কোনো সেবা গ্রহীতা সাক্ষাৎ করতে গেলে তাঁকে সহজে কক্ষে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয় না এবং জরুরি প্রয়োজনে ফোন করলেও ফোন রিসিভ করা হয় না বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

‎এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম, গত ৫ আগস্ট জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট জুলাই যোদ্ধাদের দাওয়াত না দেওয়াসহ আরও বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন তাঁরা।

‎বিক্ষোভে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম, সারমিন আক্তার স্বর্ণা, সাইফুল আলম, আবু রাফি এবং শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়ড়া এলাকার বাসিন্দা নাজেম সরদারসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।

‎বক্তারা বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনওকে অপসারণ করা না হলে দুমকীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

‎অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অডিও বা ভিডিও বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

‎এ বিষয়ে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।