ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খোলাডাঙ্গায় জমি জালিয়াতির অভিযোগ মৃত দম্পতির জাল স্বাক্ষরে ভুয়া দলিল, ৪৭ শতক জমি বিক্রির অভিযোগ বিএনপি নেতা বাচ্চুর বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৯:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫১ Time View
Print

যশোর জেলা প্রতিনিধি:যশোরের খোলাডাঙ্গায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৪৭ শতক জমি আত্মসাৎ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বাচ্চু ওরফে ‘রড বাচ্চু’র বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া দলিলের মাধ্যমে জমির মালিকানা দাবি করে তিনি ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি করেছেন।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, যে দলিলের মাধ্যমে জমিটি কেনা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, সেখানে বিক্রেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে রুধির কুমার বিশ্বাস ও তার স্ত্রী শেফালিকা বিশ্বাসের নাম। অথচ রুধির কুমার বিশ্বাস ২০০২ সালের ২৪ ডিসেম্বর এবং শেফালিকা বিশ্বাস ২০০৩ সালের ৯ মার্চ মারা যান। তাদের মৃত্যুর বহু বছর পর ২০২০ সালে ওই জমি বিক্রির দলিল করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া দলিলে যে দলিল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, রেজিস্ট্রি অফিসের নথি যাচাই করে দেখা গেছে, ওই নম্বরের প্রকৃত দলিলে অন্য জমি ও অন্য ব্যক্তিদের নাম রয়েছে।

সম্প্রতি কয়েক দিনের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এর আগে বিএনপি নেতা বাচ্চুর বিরুদ্ধে বোমাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এক নারীকে ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলে চার লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় একাধিক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং আদালতে মামলাও হয়েছে। বোমা বিস্ফোরণের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সদর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে শোকজ করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ লাইন স্কুলের সামনের বাসিন্দা প্রশান্ত বিশ্বাসের জমি ঘিরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হঠাৎ মালিকানা দাবি করেন বাচ্চু। পরে তিনি ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি শুরু করেন। জমিটির প্রকৃত মালিক কে এবং কীভাবে বাচ্চু ওই জমির মালিকানা দাবি করলেন—তা অনুসন্ধান করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রশান্ত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওই জমি জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের নামে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে তাকে সহযোগিতা করেছেন রঘুরামপুরের কামাল খান নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগ অনুযায়ী, জাল দলিলের মাধ্যমে জমিটি প্রথমে নিজের নামে লিখে নেন প্রশান্ত। পরে ওই জমি তার স্ত্রী অর্পণা বৈরাগীর নামে দান করেন।

এ ঘটনায় শেফালিকা বিশ্বাসের ছেলে আইজ্যাক রিগম বিশ্বাস প্রশান্ত বিশ্বাস ও তার স্ত্রী অর্পণা বৈরাগীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলার নম্বর ১৮২৫ ও ১২৪/২৫।

অভিযোগ রয়েছে, ওই জমি নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার পর প্রশান্ত ও অর্পণাকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসেন বিএনপি নেতা বাচ্চু। পরে অর্পণা বৈরাগী জমির ৪৭ শতকের জন্য বাচ্চু ও তার সহযোগী বাগআঁচড়ার কুলবাড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের নামে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করে দেন। সেই ক্ষমতাবলে বাচ্চু জমিটি বিক্রি শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বাচ্চু ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হওয়ায় তার কথায় বিশ্বাস করে অনেকে জমি কিনেছেন। তবে জমির মালিকানা ও দলিল নিয়ে জটিলতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্রেতারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

যশোর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও ভূমি অফিসের নথি পর্যালোচনা করে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ মে অর্পণা বৈরাগীর দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ৪৭ শতক জমি বিক্রির ক্ষমতা পান বাচ্চু ও ইব্রাহীম খলিল।

এর আগে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ৯৩১ নম্বর দানপত্রের মাধ্যমে প্রশান্ত বিশ্বাস তার স্ত্রী অর্পণা বৈরাগীর নামে জমিটি লিখে দেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। আর প্রশান্ত ওই জমির মালিক হন ২০২০ সালের ২২ মার্চ ৩৪৭৫/২০ নম্বর দলিলের মাধ্যমে।

ওই দলিল অনুযায়ী, শেফালিকা বিশ্বাস ও তার স্বামী রুধির কুমার বিশ্বাসের কাছ থেকে এক কোটি ৬৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ৭৭ দশমিক ৫০ শতক জমি কেনেন প্রশান্ত। তবে সংশ্লিষ্ট নথি ও পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জমি বিক্রির সময়ের বহু আগেই ওই দম্পতির মৃত্যু হয়েছিল।

রুধির কুমার বিশ্বাসের মৃত্যুসনদ অনুযায়ী, তিনি ২০০২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মারা যান। শেফালিকা বিশ্বাস মারা যান ২০০৩ সালের ৯ মার্চ। ফলে তাদের মৃত্যুর প্রায় ১৭ থেকে ১৮ বছর পর তাদের নামে জমি বিক্রির দলিল কীভাবে সম্পাদিত হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দলিল নম্বর নিয়েও পাওয়া গেছে গুরুতর অসঙ্গতি। ৩৪৭৫/২০ নম্বর দলিলের নথি যাচাই করে দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে ওই দলিলটি ২০২০ সালের ৩ মার্চ সম্পাদিত হয়। সেখানে ভেকুটিয়া মৌজার কলোনির মোড় এলাকার এক শতক জমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী হাসান আলীর কাছ থেকে কেনেন কাপড় ব্যবসায়ী ও কলোনির মোড়ের ভাই ভাই ক্লথ স্টোরের মালিক আবুল হোসেন। সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির সঙ্গেও কথা বলে এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রশান্ত বিশ্বাসের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, তার জমিজমার কাগজপত্রের বিষয়ে কামাল খান ভালো জানেন। পরে কথা বলবেন জানিয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে বিএনপি নেতা বাচ্চু বলেন, তিনি বৈধ উপায়ে ৪৭ শতক জমি বিক্রি করেছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

খোলাডাঙ্গায় জমি জালিয়াতির অভিযোগ মৃত দম্পতির জাল স্বাক্ষরে ভুয়া দলিল, ৪৭ শতক জমি বিক্রির অভিযোগ বিএনপি নেতা বাচ্চুর বিরুদ্ধে

Update Time : ০৯:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

যশোর জেলা প্রতিনিধি:যশোরের খোলাডাঙ্গায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৪৭ শতক জমি আত্মসাৎ ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বাচ্চু ওরফে ‘রড বাচ্চু’র বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া দলিলের মাধ্যমে জমির মালিকানা দাবি করে তিনি ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি করেছেন।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, যে দলিলের মাধ্যমে জমিটি কেনা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, সেখানে বিক্রেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে রুধির কুমার বিশ্বাস ও তার স্ত্রী শেফালিকা বিশ্বাসের নাম। অথচ রুধির কুমার বিশ্বাস ২০০২ সালের ২৪ ডিসেম্বর এবং শেফালিকা বিশ্বাস ২০০৩ সালের ৯ মার্চ মারা যান। তাদের মৃত্যুর বহু বছর পর ২০২০ সালে ওই জমি বিক্রির দলিল করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া দলিলে যে দলিল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, রেজিস্ট্রি অফিসের নথি যাচাই করে দেখা গেছে, ওই নম্বরের প্রকৃত দলিলে অন্য জমি ও অন্য ব্যক্তিদের নাম রয়েছে।

সম্প্রতি কয়েক দিনের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এর আগে বিএনপি নেতা বাচ্চুর বিরুদ্ধে বোমাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এক নারীকে ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলে চার লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় একাধিক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং আদালতে মামলাও হয়েছে। বোমা বিস্ফোরণের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সদর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে শোকজ করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ লাইন স্কুলের সামনের বাসিন্দা প্রশান্ত বিশ্বাসের জমি ঘিরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হঠাৎ মালিকানা দাবি করেন বাচ্চু। পরে তিনি ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি শুরু করেন। জমিটির প্রকৃত মালিক কে এবং কীভাবে বাচ্চু ওই জমির মালিকানা দাবি করলেন—তা অনুসন্ধান করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রশান্ত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওই জমি জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের নামে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে তাকে সহযোগিতা করেছেন রঘুরামপুরের কামাল খান নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগ অনুযায়ী, জাল দলিলের মাধ্যমে জমিটি প্রথমে নিজের নামে লিখে নেন প্রশান্ত। পরে ওই জমি তার স্ত্রী অর্পণা বৈরাগীর নামে দান করেন।

এ ঘটনায় শেফালিকা বিশ্বাসের ছেলে আইজ্যাক রিগম বিশ্বাস প্রশান্ত বিশ্বাস ও তার স্ত্রী অর্পণা বৈরাগীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলার নম্বর ১৮২৫ ও ১২৪/২৫।

অভিযোগ রয়েছে, ওই জমি নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার পর প্রশান্ত ও অর্পণাকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসেন বিএনপি নেতা বাচ্চু। পরে অর্পণা বৈরাগী জমির ৪৭ শতকের জন্য বাচ্চু ও তার সহযোগী বাগআঁচড়ার কুলবাড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের নামে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করে দেন। সেই ক্ষমতাবলে বাচ্চু জমিটি বিক্রি শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বাচ্চু ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হওয়ায় তার কথায় বিশ্বাস করে অনেকে জমি কিনেছেন। তবে জমির মালিকানা ও দলিল নিয়ে জটিলতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্রেতারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

যশোর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও ভূমি অফিসের নথি পর্যালোচনা করে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ মে অর্পণা বৈরাগীর দেওয়া পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ৪৭ শতক জমি বিক্রির ক্ষমতা পান বাচ্চু ও ইব্রাহীম খলিল।

এর আগে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ৯৩১ নম্বর দানপত্রের মাধ্যমে প্রশান্ত বিশ্বাস তার স্ত্রী অর্পণা বৈরাগীর নামে জমিটি লিখে দেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। আর প্রশান্ত ওই জমির মালিক হন ২০২০ সালের ২২ মার্চ ৩৪৭৫/২০ নম্বর দলিলের মাধ্যমে।

ওই দলিল অনুযায়ী, শেফালিকা বিশ্বাস ও তার স্বামী রুধির কুমার বিশ্বাসের কাছ থেকে এক কোটি ৬৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ৭৭ দশমিক ৫০ শতক জমি কেনেন প্রশান্ত। তবে সংশ্লিষ্ট নথি ও পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জমি বিক্রির সময়ের বহু আগেই ওই দম্পতির মৃত্যু হয়েছিল।

রুধির কুমার বিশ্বাসের মৃত্যুসনদ অনুযায়ী, তিনি ২০০২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মারা যান। শেফালিকা বিশ্বাস মারা যান ২০০৩ সালের ৯ মার্চ। ফলে তাদের মৃত্যুর প্রায় ১৭ থেকে ১৮ বছর পর তাদের নামে জমি বিক্রির দলিল কীভাবে সম্পাদিত হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দলিল নম্বর নিয়েও পাওয়া গেছে গুরুতর অসঙ্গতি। ৩৪৭৫/২০ নম্বর দলিলের নথি যাচাই করে দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে ওই দলিলটি ২০২০ সালের ৩ মার্চ সম্পাদিত হয়। সেখানে ভেকুটিয়া মৌজার কলোনির মোড় এলাকার এক শতক জমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী হাসান আলীর কাছ থেকে কেনেন কাপড় ব্যবসায়ী ও কলোনির মোড়ের ভাই ভাই ক্লথ স্টোরের মালিক আবুল হোসেন। সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির সঙ্গেও কথা বলে এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রশান্ত বিশ্বাসের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, তার জমিজমার কাগজপত্রের বিষয়ে কামাল খান ভালো জানেন। পরে কথা বলবেন জানিয়ে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে বিএনপি নেতা বাচ্চু বলেন, তিনি বৈধ উপায়ে ৪৭ শতক জমি বিক্রি করেছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।