👥 প্রতিনিধি তালিকা 📰 ই-পেপার
ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ দলের লংমার্চ আ.লীগের শক্ত ঘাঁটি গোপালগঞ্জ যা বললেন জামায়াত আমির

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৭:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৮ Time View
Print

লুৎফর সিকদার,গোপালগঞ্জ:১১ দলের লংমার্চ আ.লীগের শক্ত ঘাঁটি গোপালগঞ্জে যা বললেন জামায়াত আমির
গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া। সাত দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে পথসভা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভাটিয়াপাড়া মোড়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত জোটের লংমার্চের অংশ হিসেবে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে নেতারা সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অধিকারভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই তাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের লক্ষ্য। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় গোপালগঞ্জের মানুষের প্রতি ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ও দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানান জামায়াত আমির।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নকে তারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই দাবি কার্যকর করা হলে জোটের অন্য ছয়টি দাবিও বাস্তবায়নের পথ তৈরি হবে।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, লংমার্চের বহর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়ে নেতাদের স্বাগত জানান। সেখানে সমবেত মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য দেন জোটের শীর্ষ নেতারা।

এর আগে শনিবার সকাল ৭টায় ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চটি যাত্রা শুরু করে। পথে সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেন জোটের নেতারা।

কাশিয়ানিতে কর্মসূচি শেষ করে বহরটি খুলনার দিকে রওনা হয়। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা করার কথা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে যশোরের মুড়লীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালেও জোটের নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

লংমার্চের শেষ কর্মসূচি হিসেবে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ আয়োজনের কথা রয়েছে। যাত্রাপথের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বহরকে স্বাগত জানাচ্ছেন। এসব স্থানেও জোটের নেতাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম লংমার্চ আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। গোপালগঞ্জের কর্মসূচিটি সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

১১ দলের লংমার্চ আ.লীগের শক্ত ঘাঁটি গোপালগঞ্জ যা বললেন জামায়াত আমির

Update Time : ০৭:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
Print

লুৎফর সিকদার,গোপালগঞ্জ:১১ দলের লংমার্চ আ.লীগের শক্ত ঘাঁটি গোপালগঞ্জে যা বললেন জামায়াত আমির
গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া। সাত দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে পথসভা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভাটিয়াপাড়া মোড়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত জোটের লংমার্চের অংশ হিসেবে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে নেতারা সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অধিকারভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই তাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের লক্ষ্য। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় গোপালগঞ্জের মানুষের প্রতি ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ও দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানান জামায়াত আমির।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নকে তারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই দাবি কার্যকর করা হলে জোটের অন্য ছয়টি দাবিও বাস্তবায়নের পথ তৈরি হবে।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, লংমার্চের বহর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়ে নেতাদের স্বাগত জানান। সেখানে সমবেত মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য দেন জোটের শীর্ষ নেতারা।

এর আগে শনিবার সকাল ৭টায় ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চটি যাত্রা শুরু করে। পথে সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেন জোটের নেতারা।

কাশিয়ানিতে কর্মসূচি শেষ করে বহরটি খুলনার দিকে রওনা হয়। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা করার কথা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে যশোরের মুড়লীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালেও জোটের নেতাদের বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

লংমার্চের শেষ কর্মসূচি হিসেবে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ আয়োজনের কথা রয়েছে। যাত্রাপথের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বহরকে স্বাগত জানাচ্ছেন। এসব স্থানেও জোটের নেতাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম লংমার্চ আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। গোপালগঞ্জের কর্মসূচিটি সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।