ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে জমি বিরোধের অবসান: সমঝোতায় নির্ধারিত হলো সীমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ১০:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৪৫ Time View
Print

মোহাম্মদ হানিফ,স্টাফ রিপোর্টার ফেনীঃ

ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের সুন্দরপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জমির সীমানা বিরোধের অবশেষে শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী একটি সংস্থার উদ্যোগে সরেজমিন তদন্ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই এবং সঠিক পরিমাপের মাধ্যমে জমির নির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাজুল ইসলাম (পিতা: অলী আহমেদ) গং এবং অপর পক্ষ মিজান (মাতা: ছেমনা খাতুন), রূপবান (পিতা: বজলুর রহমান), নুর নবী ও মাহবুব নবী (পিতা: অলি আহমেদ)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করে।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংস্থার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংস্থার কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম, সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ এবং ফেনী জেলা সহকারী তথ্য পরিচালক মোহাম্মদ ওসমান গনী। জমি পরিমাপের দায়িত্ব পালন করেন অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার মাষ্টার আবুল কাশেম।
এছাড়াও স্থানীয় সমাজের সভাপতি সেফায়াত উল্ল্যাহসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি নুর করিম ও রবিউল হক উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং সমাধান প্রক্রিয়াকে সহায়তা করেন।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য গ্রহণ, দলিল-দস্তাবেজ যাচাই এবং সরেজমিনে মাপজোক শেষে জমির সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিনের এই বিরোধের কারণে এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছিল। সমাধানের মাধ্যমে এখন এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধ এড়াতে এই উদ্যোগ একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ এড়াতে সঠিক নথিপত্র সংরক্ষণ, নিয়মিত রেকর্ড হালনাগাদ এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ফেনীতে জমি বিরোধের অবসান: সমঝোতায় নির্ধারিত হলো সীমানা

Update Time : ১০:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
Print

মোহাম্মদ হানিফ,স্টাফ রিপোর্টার ফেনীঃ

ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের সুন্দরপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জমির সীমানা বিরোধের অবশেষে শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী একটি সংস্থার উদ্যোগে সরেজমিন তদন্ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই এবং সঠিক পরিমাপের মাধ্যমে জমির নির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাজুল ইসলাম (পিতা: অলী আহমেদ) গং এবং অপর পক্ষ মিজান (মাতা: ছেমনা খাতুন), রূপবান (পিতা: বজলুর রহমান), নুর নবী ও মাহবুব নবী (পিতা: অলি আহমেদ)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করে।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংস্থার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংস্থার কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম, সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ এবং ফেনী জেলা সহকারী তথ্য পরিচালক মোহাম্মদ ওসমান গনী। জমি পরিমাপের দায়িত্ব পালন করেন অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার মাষ্টার আবুল কাশেম।
এছাড়াও স্থানীয় সমাজের সভাপতি সেফায়াত উল্ল্যাহসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি নুর করিম ও রবিউল হক উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং সমাধান প্রক্রিয়াকে সহায়তা করেন।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য গ্রহণ, দলিল-দস্তাবেজ যাচাই এবং সরেজমিনে মাপজোক শেষে জমির সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিনের এই বিরোধের কারণে এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছিল। সমাধানের মাধ্যমে এখন এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধ এড়াতে এই উদ্যোগ একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ এড়াতে সঠিক নথিপত্র সংরক্ষণ, নিয়মিত রেকর্ড হালনাগাদ এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।