ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠবাড়ীয়ায় জোড়া খুনে আসল রহস্য উম্মোচন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ১১:০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / ৪২ Time View
Print

বিশেষ প্রতিনীধি,পিরোজপুরঃ
শাক দিয়ে মাছ,আর কাশ দিয়ে পাত ডেকে রাখা যায় না যেমন তেমনি।সত্য কে হাজারো মিথ্যা দিয়ে ডেকে রাখা যায় না।তেমনি মঠবাড়ীয়ার আমড়াগাছিয়ার জোড়া খুন সাগর রসিদ হত্যার আসল রহস্য ধামা চাপা দেওয়ার চেস্টা নিস্ফল হল।
সাগর,রসিদ হত্যার পর ইউসূফ নিখোজ হওয়ার খবরটা তার স্বজনরা দ্রুত ছড়িয়ে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে দিয়েছিল।এবং তাকে উদ্ধারের দাবী ও তুলেছিল সকলে।কিন্তু রহস্যের মোড় ঘুড়িয়ে দিল মঠবাড়ীয়া থানা পুলিশ।ইউসুফ ছিল উক্ত হত্যা কান্ডের মুল হোতা।তাদের ৮/১০ জন লোক নিয়ে ইউসুফ ম্যাগনেট পিলার উত্তোলনের টিম গঠন করেছিল।আসল রহস্য ছিল ছত্তার পেয়াদার একটি পুকুর খনন।যার তলদেশে ম্যাগনেট পিলার ছিল তা খুজে বের করা তাদের উদ্দেশ্য।যার প্রেক্ষিতে ৮/১০ জন নিয়ে পবীত্র কোরান শপথ করা হয়েছিল যাতে কেউ না জানে।এই কোরান শপথের সাথে ছিল ইউসুফ,সাগর,রসিদ,সহিদুল সহ ৫/৬ জন।গটনার পুর্বের দিন সন্ধা আনুমানিক ৮-১২ টা পর্যন্ত সাপলেজা,আমড়াগাছিয়া সংযোগ সেতুর উপর বসে তারা কথা বার্তা বলেছিল।যেটা এলাকা বাসীরা জানান।তার পরেই এরা ঐ কুপের নিকট গিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।মাটি খুড়তে গিয়েই সাগর,রসিদ মারা যায়।ইুসুফ,সহিদুল সহ তাদের সহপাঠিরা মৃত্যু দেহ সাগরের বাড়ী এবং রসিদের দেহটি পার্শবর্তী একটি মাদ্রাসার ভবনের বারান্দায় রেখে পালিয়ে যায়।উক্ত গটনার সাথে জড়িত অনেকেই
আত্মগোপনে রয়েছে।তবে ইউসুফের সন্ধান পেলে ই সম্পৃক্তদের সনাক্ত করা সহজ হবে।তবে উক্ত গটনার সাথে কিছু রাগব বোয়ালরা জড়িত থাকতে পারে বলে স্হানীয়দের ধারনা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

মঠবাড়ীয়ায় জোড়া খুনে আসল রহস্য উম্মোচন

Update Time : ১১:০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
Print

বিশেষ প্রতিনীধি,পিরোজপুরঃ
শাক দিয়ে মাছ,আর কাশ দিয়ে পাত ডেকে রাখা যায় না যেমন তেমনি।সত্য কে হাজারো মিথ্যা দিয়ে ডেকে রাখা যায় না।তেমনি মঠবাড়ীয়ার আমড়াগাছিয়ার জোড়া খুন সাগর রসিদ হত্যার আসল রহস্য ধামা চাপা দেওয়ার চেস্টা নিস্ফল হল।
সাগর,রসিদ হত্যার পর ইউসূফ নিখোজ হওয়ার খবরটা তার স্বজনরা দ্রুত ছড়িয়ে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে দিয়েছিল।এবং তাকে উদ্ধারের দাবী ও তুলেছিল সকলে।কিন্তু রহস্যের মোড় ঘুড়িয়ে দিল মঠবাড়ীয়া থানা পুলিশ।ইউসুফ ছিল উক্ত হত্যা কান্ডের মুল হোতা।তাদের ৮/১০ জন লোক নিয়ে ইউসুফ ম্যাগনেট পিলার উত্তোলনের টিম গঠন করেছিল।আসল রহস্য ছিল ছত্তার পেয়াদার একটি পুকুর খনন।যার তলদেশে ম্যাগনেট পিলার ছিল তা খুজে বের করা তাদের উদ্দেশ্য।যার প্রেক্ষিতে ৮/১০ জন নিয়ে পবীত্র কোরান শপথ করা হয়েছিল যাতে কেউ না জানে।এই কোরান শপথের সাথে ছিল ইউসুফ,সাগর,রসিদ,সহিদুল সহ ৫/৬ জন।গটনার পুর্বের দিন সন্ধা আনুমানিক ৮-১২ টা পর্যন্ত সাপলেজা,আমড়াগাছিয়া সংযোগ সেতুর উপর বসে তারা কথা বার্তা বলেছিল।যেটা এলাকা বাসীরা জানান।তার পরেই এরা ঐ কুপের নিকট গিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।মাটি খুড়তে গিয়েই সাগর,রসিদ মারা যায়।ইুসুফ,সহিদুল সহ তাদের সহপাঠিরা মৃত্যু দেহ সাগরের বাড়ী এবং রসিদের দেহটি পার্শবর্তী একটি মাদ্রাসার ভবনের বারান্দায় রেখে পালিয়ে যায়।উক্ত গটনার সাথে জড়িত অনেকেই
আত্মগোপনে রয়েছে।তবে ইউসুফের সন্ধান পেলে ই সম্পৃক্তদের সনাক্ত করা সহজ হবে।তবে উক্ত গটনার সাথে কিছু রাগব বোয়ালরা জড়িত থাকতে পারে বলে স্হানীয়দের ধারনা।