ফেনীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘অভিযোগ’ ঘিরে মানববন্ধন, পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদে প্রশ্ন
- Update Time : ০৯:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
- / ১২ Time View

মোহাম্মদ হানিফ,স্টাফ রিপোর্টার ফেনী:
সুষ্ঠু তদন্তের দাবি; অভিযোগের বিপরীতে মতামত না নেওয়ায় গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব নিয়ে সমালোচনা
ফেনী জেলার মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ফেনী জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ টি এম সামছুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ-লোপাটের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এই মানববন্ধন ও তা ঘিরে প্রচারিত সংবাদকে ঘিরে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিনের পরিচিত ও স্থানীয়দের মতে, এ টি এম সামছুল হক চৌধুরী একজন সাদামাটা, সজ্জন ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। প্রায় দুই যুগের বেশি সময় ধরে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত রয়েছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় মানুষ, শিক্ষার্থী ও দরিদ্র পরিবারকে সহায়তা করার অভিযোগও নয়, বরং সুনামই বেশি শোনা যায় তার ক্ষেত্রে।
তবে সম্প্রতি কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ভিডিও ও খবর প্রকাশ পেলেও, সেখানে তার কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়নি। এমনকি যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে কি না—সেটিও স্পষ্ট নয়। এতে করে সংবাদ পরিবেশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে।
স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির পদ নিয়ে বিরোধ থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, এক সাবেক জনপ্রতিনিধি তার পছন্দের ব্যক্তিকে ওই পদে বসাতে ব্যর্থ হয়ে ক্ষোভ থেকে এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করেছেন। যদিও এই অভিযোগের স্বপক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যেও অনেকেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরতে পারেননি বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। বরং রাজনৈতিক বক্তব্য ও পূর্বনির্ধারিত অভিযোগের পুনরাবৃত্তিই বেশি লক্ষ্য করা গেছে বলে তাদের মত।
এ অবস্থায় স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
একইসঙ্গে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয় পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরে দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিকতা নিশ্চিত করার জন্য।









