ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে পিতা -পুত্রের সংঘর্ষে আহত বৃদ্ধের পক্ষে পুত্রবধূর সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / ১০ Time View
Print

সেলিম চৌধুরী
জেলা প্রতিনিধি, রংপুরঃ

নীলফামারীর সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে পিতা-পুত্রের সংঘাত, মামলা-পাল্টা মামলা এবং সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্যের।

বৃহস্পতিবার বিকেলে চাপড়া সুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৃদ্ধ মজিদুল ইসলামের পক্ষে বক্তব্য দেন তার পুত্রবধূ মুক্তা খাতুন। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমকে তালাক দেওয়ার পর থেকে তার শ্বশুরকে নানা ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তার দাবি, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগমের ছেলে রবিউল ইসলামসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মজিদুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধ মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় নীলফামারী থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামিরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা উল্টো বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সংবাদ সম্মেলনের নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মুক্তা খাতুন বলেন, মামলার প্রধান আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি বর্তমানে আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তাধীন রয়েছে

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

নীলফামারীতে পিতা -পুত্রের সংঘর্ষে আহত বৃদ্ধের পক্ষে পুত্রবধূর সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৬:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
Print

সেলিম চৌধুরী
জেলা প্রতিনিধি, রংপুরঃ

নীলফামারীর সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে পিতা-পুত্রের সংঘাত, মামলা-পাল্টা মামলা এবং সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্যের।

বৃহস্পতিবার বিকেলে চাপড়া সুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৃদ্ধ মজিদুল ইসলামের পক্ষে বক্তব্য দেন তার পুত্রবধূ মুক্তা খাতুন। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমকে তালাক দেওয়ার পর থেকে তার শ্বশুরকে নানা ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

তার দাবি, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগমের ছেলে রবিউল ইসলামসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মজিদুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধ মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় নীলফামারী থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার আসামিরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা উল্টো বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সংবাদ সম্মেলনের নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মুক্তা খাতুন বলেন, মামলার প্রধান আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি বর্তমানে আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তাধীন রয়েছে