শ্যামনগর ইসলামী ব্যাংক শাখায় কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- Update Time : ১২:১৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
- / ২৭ Time View

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগর ইসলামী ব্যাংক শাখায় কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা মাস উপলক্ষে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শ্যামনগর শাখায় উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শ্যামনগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলারোয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল বারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়নগর কামিল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. গোলাম বারী, শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুর রহমান, দরগাহপুর মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম এবং জয়নগর কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শ্যামনগর শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার রহমত আলী হাওলাদার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিনিয়র অফিসার মো. আফছার উদ্দীন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি কল্যাণমুখী ও শরী’আহভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দেশের আর্থিক খাতের পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে ব্যাংকটি বর্তমানে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ, আধুনিক ও গ্রাহকবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সততা, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং শরী’আহভিত্তিক নীতিমালার আলোকে ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক প্রায় ৩ কোটি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। ৪০০ শাখা, ২৭১ উপশাখা, ২ হাজার ৮০০ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট, ৩ হাজারের বেশি এটিএম ও সিআরএম, কার্ড সেবা, পিওএস, বাংলা কিউআর নেটওয়ার্ক, নিরাপদ রেমিট্যান্স এবং শিল্প, কৃষি, এসএমই ও ব্যবসায় বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।অনুষ্ঠানে শরী’আহভিত্তিক সুদমুক্ত ব্যাংকিং পরিচালনা, উন্নত ও নিরাপদ গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন বজায় রাখা এবং উদ্যোক্তা, কৃষি, এসএমই, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।



















