ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় জমি দখলকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধন

নিজেস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ১১:৪৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / ৫৪ Time View
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে অবস্থিত শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমানের দানকৃত ৪.৯৪ একর দানকৃত জমি জবর দখল কারীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার(১৮মে) মাদ্রাসায় দানকৃত জমির সামনে শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার আয়োজনে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকালীন সুপার মাওলানা আব্দুল খালেক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাওলানা আমিনুর রহমান,সদ্য সাবেক সুপার মাওলানা আব্দুল মাজেদ, মাদ্রাসায় জমি দানকৃত ব্যক্তির ছেলে শিক্ষক আল মামুন, প্রতিষ্ঠানের সাবেক ছাত্র আব্দুল জলিল প্রমুখ। এসময় মানববন্ধন উপস্থিত ছিলেন,ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল হক,মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী। এসময় বক্তব্যরা বলেন, শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমান ৪.৯৪ একর জমি মাদ্রাসায় দান করে।১৯৭৩ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা কালে নাম ছিল মোহাম্মদীয়া। ১৯৭৬ সালে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমান ৪.৯৪ একর জমি মোহাম্মাদিয়া মাদ্রাসা নামে দান করে। তৎকালীন সময়ে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকাবাসীর মধ্যে নামকরণ নিয়ে একটি সমস্যা দেখা দেয়।মুসলমানের শরীয়ত বিধি অনুযায়ী মোহাম্মদ নাম উচ্চারিত হলে সাথে সাথে দরুদ পড়তে হয়। যেটি মাদ্রাসা নামকরণের ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক সৃষ্টি হয়। তৎকালীন সময়ে ম্যানেজিং কমিটি এলাকাবাসী,ভূমি দাতার উপস্থিতিতে সকলের মতামতের ভিত্তিতে রেজুলেশনের মাধ্যমে মদিনার সাথে সমন্বয় রেখে মাদ্রাসার নামকরণ করা হয় শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা।সেইখান থেকে অদ্যবধি উক্ত সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ভোগ দখল করে আসছে এবং বর্তমান ভোগ দখলে আছে। সরকারের নীতিমালা মেনে বর্তমান মাদ্রাসার নামে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা হচ্ছে। মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান শাহাজাহান সিরিজ,তুমিদাতা পরিবারের সাথে সংযুক্ত থাকায় বর্তমান মাদ্রাসার নামে উক্ত জমি খাজনা পরিষদ করে। বিভিন্ন শিক্ষক নিয়োগ সহ উন্নয়ন অবকাঠামো সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। তখন মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারী ম্যানেজিং কমিটির সাথে কথা না বলে মাদ্রাসার ফাইল তার কাছে থাকার কারণে নিজের ইচ্ছা মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটি মাদ্রাসার জন্য ক্ষতিকারক।তার আরো বলেন, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমান জীবিত থাকাকালীন সময়ে মাদ্রাসার নাম নিয়ে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। দানকৃত জমি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে বগ্ধকর করে আসছে। তিনি সালে মৃত্যুবরণ করার পরে অরেশদের মধ্যে মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে একটি পক্ষ বিপক্ষে তৈরি হয়। কিন্তু ১৯৭৬ সালে অনলাইন ও আধুনিকতা ছোয়া না থাকার কারণে সেই সময়কার রেজুলেশন খাতা সহ মাদ্রাসার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায়। তখন কার সুপার মাওলানা আব্দুল খালেক,২৬/১২/১৯৮২ সালে শ্যামনগর থানার একটি সাধারণ জিডি করে যাহারা নং-৬৪৬।তাই আপনাদের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাছে আকুল আবেদন যাতে করে জবরদখলকারীদের হাত থেকে মাদ্রাসার সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করতে পারি তার ব্যবস্থা করিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

শ্যামনগরে দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় জমি দখলকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধন

Update Time : ১১:৪৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
Print

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে অবস্থিত শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমানের দানকৃত ৪.৯৪ একর দানকৃত জমি জবর দখল কারীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার(১৮মে) মাদ্রাসায় দানকৃত জমির সামনে শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার আয়োজনে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকালীন সুপার মাওলানা আব্দুল খালেক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাওলানা আমিনুর রহমান,সদ্য সাবেক সুপার মাওলানা আব্দুল মাজেদ, মাদ্রাসায় জমি দানকৃত ব্যক্তির ছেলে শিক্ষক আল মামুন, প্রতিষ্ঠানের সাবেক ছাত্র আব্দুল জলিল প্রমুখ। এসময় মানববন্ধন উপস্থিত ছিলেন,ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল হক,মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী। এসময় বক্তব্যরা বলেন, শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমান ৪.৯৪ একর জমি মাদ্রাসায় দান করে।১৯৭৩ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা কালে নাম ছিল মোহাম্মদীয়া। ১৯৭৬ সালে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমান ৪.৯৪ একর জমি মোহাম্মাদিয়া মাদ্রাসা নামে দান করে। তৎকালীন সময়ে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকাবাসীর মধ্যে নামকরণ নিয়ে একটি সমস্যা দেখা দেয়।মুসলমানের শরীয়ত বিধি অনুযায়ী মোহাম্মদ নাম উচ্চারিত হলে সাথে সাথে দরুদ পড়তে হয়। যেটি মাদ্রাসা নামকরণের ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক সৃষ্টি হয়। তৎকালীন সময়ে ম্যানেজিং কমিটি এলাকাবাসী,ভূমি দাতার উপস্থিতিতে সকলের মতামতের ভিত্তিতে রেজুলেশনের মাধ্যমে মদিনার সাথে সমন্বয় রেখে মাদ্রাসার নামকরণ করা হয় শৈলখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা।সেইখান থেকে অদ্যবধি উক্ত সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ভোগ দখল করে আসছে এবং বর্তমান ভোগ দখলে আছে। সরকারের নীতিমালা মেনে বর্তমান মাদ্রাসার নামে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা হচ্ছে। মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান শাহাজাহান সিরিজ,তুমিদাতা পরিবারের সাথে সংযুক্ত থাকায় বর্তমান মাদ্রাসার নামে উক্ত জমি খাজনা পরিষদ করে। বিভিন্ন শিক্ষক নিয়োগ সহ উন্নয়ন অবকাঠামো সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। তখন মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারী ম্যানেজিং কমিটির সাথে কথা না বলে মাদ্রাসার ফাইল তার কাছে থাকার কারণে নিজের ইচ্ছা মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটি মাদ্রাসার জন্য ক্ষতিকারক।তার আরো বলেন, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব জি,এম,সামছুর রহমান জীবিত থাকাকালীন সময়ে মাদ্রাসার নাম নিয়ে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। দানকৃত জমি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে বগ্ধকর করে আসছে। তিনি সালে মৃত্যুবরণ করার পরে অরেশদের মধ্যে মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে একটি পক্ষ বিপক্ষে তৈরি হয়। কিন্তু ১৯৭৬ সালে অনলাইন ও আধুনিকতা ছোয়া না থাকার কারণে সেই সময়কার রেজুলেশন খাতা সহ মাদ্রাসার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায়। তখন কার সুপার মাওলানা আব্দুল খালেক,২৬/১২/১৯৮২ সালে শ্যামনগর থানার একটি সাধারণ জিডি করে যাহারা নং-৬৪৬।তাই আপনাদের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কাছে আকুল আবেদন যাতে করে জবরদখলকারীদের হাত থেকে মাদ্রাসার সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করতে পারি তার ব্যবস্থা করিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।