ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবনের বিনিময়ে হলেও স্বাধীনতা গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার……… রাষ্ট্রপতি ফখরুলের…..

একে আজাদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
  • Update Time : ১০:২১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৮ Time View
Print

একে আজাদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি….

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি যে আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতির
আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনায় বক্তব্যকালে এই আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানাব যে আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতামত প্রচার করবেন, কিন্তু সংঘাতের মধ্যে কখনো যাবেন না। অতীতে আমরা দেখেছি এই ঠাকুরগাঁওয়ে কী অকথ্য নির্যাতন হয়েছে আমাদের গণতন্ত্রকামী মানুষগুলোর উপরে। তাদেরকে গ্রেফতার করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়েছে, শত শত মামলা এবং হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দিয়ে শ্রমিক, আমাদের কৃষকদেরকে অত্যাচার করেছে, নির্যাতন করেছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সেই সময়টা পার হয়ে এসেছি।’

‘আমার অনুরোধ থাকবে আপনাদের প্রতি, সকল রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দের কাছে যে, কোনো হানাহানি নয়, কোনো সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি আমরা। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় জিনিস যেটা সেটা হচ্ছে টলারেন্স, সহিষ্ণুতা। সেই সহিষ্ণুতা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদেরকে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে তৈরি করতে হবে। এটা যদি আমরা তৈরি করতে পারি, তাহলে আমরা গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারব।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি, লড়াই করেছি, সেই গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করতে চাই। সেই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমরা তৈরি করতে চাই। আমরা বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই একটা সমঝোতার রাজনীতি, পলিটিক্স অব রিকনসিলিয়েশন দেখতে চাই। আমরা দেখতে চাই মানুষের অভাব কী করে দূর করা যায় তার চেষ্টা করা। আমরা দেখতে চাই কী করে শিক্ষার উন্নয়ন করা। আমরা দেখতে পাই এই যে আমাদের ছেলেমেয়েরা এখানে আছে, তারা যেন লেখাপড়া শেষ করে চাকরি পায়, ব্যবসা পায়। আমরা দেখতে চাই না যে এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ সৃষ্টি হোক। আমরা দেখতে চাই যে, এখানে সবাই একসাথে বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে তারা এখানে বেঁচে থাকুক তাদের অধিকার নিয়ে। এই বিষয়গুলো আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে।’

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

জীবনের বিনিময়ে হলেও স্বাধীনতা গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার……… রাষ্ট্রপতি ফখরুলের…..

Update Time : ১০:২১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

একে আজাদ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি….

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি যে আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রপতির
আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনায় বক্তব্যকালে এই আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানাব যে আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতামত প্রচার করবেন, কিন্তু সংঘাতের মধ্যে কখনো যাবেন না। অতীতে আমরা দেখেছি এই ঠাকুরগাঁওয়ে কী অকথ্য নির্যাতন হয়েছে আমাদের গণতন্ত্রকামী মানুষগুলোর উপরে। তাদেরকে গ্রেফতার করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়েছে, শত শত মামলা এবং হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দিয়ে শ্রমিক, আমাদের কৃষকদেরকে অত্যাচার করেছে, নির্যাতন করেছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সেই সময়টা পার হয়ে এসেছি।’

‘আমার অনুরোধ থাকবে আপনাদের প্রতি, সকল রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দের কাছে যে, কোনো হানাহানি নয়, কোনো সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি আমরা। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় জিনিস যেটা সেটা হচ্ছে টলারেন্স, সহিষ্ণুতা। সেই সহিষ্ণুতা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদেরকে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে তৈরি করতে হবে। এটা যদি আমরা তৈরি করতে পারি, তাহলে আমরা গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারব।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি, লড়াই করেছি, সেই গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করতে চাই। সেই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমরা তৈরি করতে চাই। আমরা বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই একটা সমঝোতার রাজনীতি, পলিটিক্স অব রিকনসিলিয়েশন দেখতে চাই। আমরা দেখতে চাই মানুষের অভাব কী করে দূর করা যায় তার চেষ্টা করা। আমরা দেখতে চাই কী করে শিক্ষার উন্নয়ন করা। আমরা দেখতে পাই এই যে আমাদের ছেলেমেয়েরা এখানে আছে, তারা যেন লেখাপড়া শেষ করে চাকরি পায়, ব্যবসা পায়। আমরা দেখতে চাই না যে এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ সৃষ্টি হোক। আমরা দেখতে চাই যে, এখানে সবাই একসাথে বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে তারা এখানে বেঁচে থাকুক তাদের অধিকার নিয়ে। এই বিষয়গুলো আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে।’