জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে যুবলীগ নেতা চিমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
- Update Time : ০৫:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
- / ৬৩ Time View

যশোর জেলা প্রতিনিধি:
জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি ও দীর্ঘদিনের হয়রানির অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যশোরের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নাজমুন নাহার মুক্তি। বুধবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি যুবলীগ নেতা চিমা চক্রের হাত থেকে মুক্তির দাবি জানান। এর আগে এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে নাজমুন নাহার মুক্তি বলেন, ৪ নম্বর নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে তার জমি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখল করে বসবাস করে আসছিলেন যুবলীগ নেতা হাদিউজ্জামান চিমা ও তার পরিবারের সদস্যরা। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জমি দখল অবস্থায় থাকাকালীন সময় থেকেই চিমা ও তার সহযোগীরা একাধিকবার তার বাড়িতে হামলা ও বোমা নিক্ষেপ করেছে। পরবর্তীতে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে সেটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। একই সঙ্গে জমিটি হাউজিং এস্টেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় হাউজিং কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মে হাউজিং কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে ওই জমি দখলমুক্ত করে দেয়। দখলমুক্ত করার পর থেকেই অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা তার সন্তানদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন মুক্তি। শুধু তাই নয়, ওই জমি ঘিরেও রেখেছে চিমা চক্র। িতিনি বলেন, আমার বড় সন্তানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে রাস্তাঘাটে যেকোনো স্থানে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এসব ঘটনায় তার পরিবার দীর্ঘদিন আতঙ্কে জীবনযাপন করছে। এমনকি তার স্বামীও সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। সে সময়ও থানায় জিডি করা হয়েছিল।
নাজমুন নাহার মুক্তির দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তারা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জমির দখল ধরে রাখার চেষ্টা করছে। এমনকি জাল দলিল তৈরি করে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্পত্তির সুরক্ষা, দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় মুক্তির বাবা তোফায়েল আহমেদ, প্রতিবেশী সিরাজ খাঁ ও আব্দুল্লাহ আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।




















