ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে বিলকুমারী বিলে পাকা বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তাই কৃষক গণ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৫ Time View
Print

মোঃ এরশাদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশের উন্নয়নে কৃষকদের অবদান অতুলনীয়। কিন্তু দেশের কৃষক গণ যেন অবহেলিত, লাঞ্ছিত। দেশের কৃষকরা যেন লাভের মুখ দেখতেই পাচ্ছেন না এমন আক্ষেপ কৃষকদের।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার তানোর বিল কুমারী বিল, এটি আবার শিব নদী নামেও পরিচিত। সূত্রমতে এই নদীতে বর্ষায় পানি ভরে থাকে। বর্তমানে পুরো বিল জুড়ে কৃষকদের স্বপ্নের, অতি কষ্টের মুখের খাবার পাকা বোরো ধান। এই পাকা বোরো ধান নিয়ে কৃষকরা মহা চিন্তাই দিন পার করছেন। আজ দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র এর পক্ষ থেকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পুরো বিলের ধান পেকে মাঠে পড়ে রয়েছে। দেখা যায় চারিদিকে বিশাল বিস্তৃত মাঠ জুড়ে শুধু পাকা ধান আর ধান। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় কৃষকরা সময়মতো স্বপ্নের ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছেন না। একদিকে শ্রমিক সংকট অন্যদিকে শ্রমিকদের মজুরি অনেক বেশি। ধান কাটার মেশিনও পাচ্ছেন না কৃষকরা। জানা যায় এই বিলকুমারী বিলে পুরো বছর জুড়ে এই একটিমাত্র ফসল বোরো ধান হয়। এই ধান অনেক আশা নিয়ে চাষ করেন কৃষক গণ। কৃষকরা অনেক ঝুঁকি নিয়ে শারীরিক কঠোর পরিশ্রম করে এবং অনেক অর্থ খরচ করে এই সোনার ফসল ফলিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে এই কৃষকদের অতি কষ্টের পুরো বছরের স্বপ্নের ফসল পাকা ধান ঘরে উঠবে কিনা এ নিয়ে দুশ্চিন্তাই কৃষকগণ। জানা যায় কৃষকদের এই ধান চাষ করতে অনেক খরচ হয়েছে। এ ধান কেটে বর্তমানে হিসাব করে দেখা যায় কৃষকদের মনপ্রতি খরচ হচ্ছে এক হাজার টাকা কিন্তু এই ধান বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা মন। সবমিলিয়ে কৃষকরা যেন কোনভাবেই লাভের মুখ দেখতেই পাচ্ছেন না। দেখা যায় অনেক পাকা ধানে পানি জমে আছে। অনেক ধান পড়ে মাটির সঙ্গে লেগে গেছে। এমন অবস্থায় কৃষকরা কি করে দ্রুত ধান ঘরে তুলবেন শুধু এই মহা চিন্তা কৃষকদের চোখে মুখে। অত্র এলাকার কৃষকদের তথা পুরো এলাকার সুবিধার জন্য শিব নদীর পুরো দীর্ঘ বাঁধের ধার খনন করা অত্যন্ত জরুরি। যেন অতিরিক্ত পানি দ্রুত নেমে যায় এবং প্রয়োজনীয় পানি জমা থাকে। বিলকুমারী বিল তথা শিবা নদীর বাঁধের ধার স্থায়ীভাবে খননের এবং কৃষকদের লোকশান থেকে মুক্তির জন্য স্বল্প সময়ে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড তথা দেশের সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন কৃষক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণ।
উল্লেখ্য যে এই বিলকুমারী বিলের পশ্চিম পাশে তানোর উপজেলা প্রশাসন, তানোর পৌরসভা, তানোর থানা, তানোর গোল্লাপাড়া বাজার, তানোর টু রাজশাহীর প্রধান সড়ক এবং বিলের ধার ঘেঁষে অনেক গ্রাম অবস্থিত।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

তানোরে বিলকুমারী বিলে পাকা বোরো ধান নিয়ে দুশ্চিন্তাই কৃষক গণ

Update Time : ০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
Print

মোঃ এরশাদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশের উন্নয়নে কৃষকদের অবদান অতুলনীয়। কিন্তু দেশের কৃষক গণ যেন অবহেলিত, লাঞ্ছিত। দেশের কৃষকরা যেন লাভের মুখ দেখতেই পাচ্ছেন না এমন আক্ষেপ কৃষকদের।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার তানোর বিল কুমারী বিল, এটি আবার শিব নদী নামেও পরিচিত। সূত্রমতে এই নদীতে বর্ষায় পানি ভরে থাকে। বর্তমানে পুরো বিল জুড়ে কৃষকদের স্বপ্নের, অতি কষ্টের মুখের খাবার পাকা বোরো ধান। এই পাকা বোরো ধান নিয়ে কৃষকরা মহা চিন্তাই দিন পার করছেন। আজ দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র এর পক্ষ থেকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পুরো বিলের ধান পেকে মাঠে পড়ে রয়েছে। দেখা যায় চারিদিকে বিশাল বিস্তৃত মাঠ জুড়ে শুধু পাকা ধান আর ধান। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় কৃষকরা সময়মতো স্বপ্নের ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছেন না। একদিকে শ্রমিক সংকট অন্যদিকে শ্রমিকদের মজুরি অনেক বেশি। ধান কাটার মেশিনও পাচ্ছেন না কৃষকরা। জানা যায় এই বিলকুমারী বিলে পুরো বছর জুড়ে এই একটিমাত্র ফসল বোরো ধান হয়। এই ধান অনেক আশা নিয়ে চাষ করেন কৃষক গণ। কৃষকরা অনেক ঝুঁকি নিয়ে শারীরিক কঠোর পরিশ্রম করে এবং অনেক অর্থ খরচ করে এই সোনার ফসল ফলিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে এই কৃষকদের অতি কষ্টের পুরো বছরের স্বপ্নের ফসল পাকা ধান ঘরে উঠবে কিনা এ নিয়ে দুশ্চিন্তাই কৃষকগণ। জানা যায় কৃষকদের এই ধান চাষ করতে অনেক খরচ হয়েছে। এ ধান কেটে বর্তমানে হিসাব করে দেখা যায় কৃষকদের মনপ্রতি খরচ হচ্ছে এক হাজার টাকা কিন্তু এই ধান বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা মন। সবমিলিয়ে কৃষকরা যেন কোনভাবেই লাভের মুখ দেখতেই পাচ্ছেন না। দেখা যায় অনেক পাকা ধানে পানি জমে আছে। অনেক ধান পড়ে মাটির সঙ্গে লেগে গেছে। এমন অবস্থায় কৃষকরা কি করে দ্রুত ধান ঘরে তুলবেন শুধু এই মহা চিন্তা কৃষকদের চোখে মুখে। অত্র এলাকার কৃষকদের তথা পুরো এলাকার সুবিধার জন্য শিব নদীর পুরো দীর্ঘ বাঁধের ধার খনন করা অত্যন্ত জরুরি। যেন অতিরিক্ত পানি দ্রুত নেমে যায় এবং প্রয়োজনীয় পানি জমা থাকে। বিলকুমারী বিল তথা শিবা নদীর বাঁধের ধার স্থায়ীভাবে খননের এবং কৃষকদের লোকশান থেকে মুক্তির জন্য স্বল্প সময়ে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড তথা দেশের সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন কৃষক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণ।
উল্লেখ্য যে এই বিলকুমারী বিলের পশ্চিম পাশে তানোর উপজেলা প্রশাসন, তানোর পৌরসভা, তানোর থানা, তানোর গোল্লাপাড়া বাজার, তানোর টু রাজশাহীর প্রধান সড়ক এবং বিলের ধার ঘেঁষে অনেক গ্রাম অবস্থিত।