ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে মাদ্রাসা শিক্ষক যশোরে অবস্থান করেও মামলার আসামী

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / ২৪ Time View
Print

মোঃআরিফুজ্জামান আরিফ,শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগরের উপজেলার পাশ্বেখালী গ্রামের মাওলানা আশিকুর রহমান যশোর জেলায় অবস্থান করেও তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে। আশিকুর রহমান যশোর জেলার বাঘারপাড়া তানযীহুল উম্মাহ্ নুরানী মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। শ্যামনগরে থেকে প্রায় একশত ৪০ কিলোমিটার দূরের নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করছিলেন তিনি। অথচ পারিবারিক কলহের জেরে শ্যামনগর থানায় দায়ের করা মামলার আসামী হয়েছেন তিনি।তার চাচা মোঃ হাসেম আলী সরদার এই মামলার বাদী।শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আশিকুর রহমানের পিতা আবুল কালাম দোলন। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ তার বিমাতা ভাই। পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি আত্মসাত করার জন্য একে একে মিথ্যা মামলা দিয়ে আগেই তাদের এলাকা ছাড়া করেছে। এখন পৈত্রিকসুত্রে প্রাপ্য শেষ সম্বলটুকু হাতিয়ে নিতে অর্থের প্রভাবে হাসেম আলী থানা পুলিশকে
ব্যবহার করে তাদের সর্বশান্ত করতে চাইছে।
আবুল কালাম দোলনের দাবি ৫৬ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রতিপক্ষ জাল চিকিৎসা সনদ গ্রহন করে মামলার প্রমানপত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এমনকি তার ছেলে ঘটনার দিন মাদ্রাসায় উপস্থিত থাকার যাবতীয় প্রমানপত্র দেয়ার পরও তাকে জড়িয়ে অভিযোগপত্র দেয়ার পায়তারা চালানো হচ্ছে। সামান্য হাতাহারি ঘটনায় প্রতিপক্ষ অর্থের জোরে থানায় মামলা করলেও তাদের অভিযোগ গ্রহন করা হয়নি। এমনকি তারা সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে মামলা করার পরও থানা পুলিশ বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না।ন্যায় বিচারের স্বার্থে আইন আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন উল্লেখ করে তিনি যথাযথ আইনী সহায়তা লাভের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করতেই সংবাদ সম্মেলন করছেন বলেও জানান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

শ্যামনগরে মাদ্রাসা শিক্ষক যশোরে অবস্থান করেও মামলার আসামী

Update Time : ০৪:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
Print

মোঃআরিফুজ্জামান আরিফ,শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগরের উপজেলার পাশ্বেখালী গ্রামের মাওলানা আশিকুর রহমান যশোর জেলায় অবস্থান করেও তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে। আশিকুর রহমান যশোর জেলার বাঘারপাড়া তানযীহুল উম্মাহ্ নুরানী মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। শ্যামনগরে থেকে প্রায় একশত ৪০ কিলোমিটার দূরের নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করছিলেন তিনি। অথচ পারিবারিক কলহের জেরে শ্যামনগর থানায় দায়ের করা মামলার আসামী হয়েছেন তিনি।তার চাচা মোঃ হাসেম আলী সরদার এই মামলার বাদী।শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আশিকুর রহমানের পিতা আবুল কালাম দোলন। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ তার বিমাতা ভাই। পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি আত্মসাত করার জন্য একে একে মিথ্যা মামলা দিয়ে আগেই তাদের এলাকা ছাড়া করেছে। এখন পৈত্রিকসুত্রে প্রাপ্য শেষ সম্বলটুকু হাতিয়ে নিতে অর্থের প্রভাবে হাসেম আলী থানা পুলিশকে
ব্যবহার করে তাদের সর্বশান্ত করতে চাইছে।
আবুল কালাম দোলনের দাবি ৫৬ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রতিপক্ষ জাল চিকিৎসা সনদ গ্রহন করে মামলার প্রমানপত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এমনকি তার ছেলে ঘটনার দিন মাদ্রাসায় উপস্থিত থাকার যাবতীয় প্রমানপত্র দেয়ার পরও তাকে জড়িয়ে অভিযোগপত্র দেয়ার পায়তারা চালানো হচ্ছে। সামান্য হাতাহারি ঘটনায় প্রতিপক্ষ অর্থের জোরে থানায় মামলা করলেও তাদের অভিযোগ গ্রহন করা হয়নি। এমনকি তারা সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে মামলা করার পরও থানা পুলিশ বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না।ন্যায় বিচারের স্বার্থে আইন আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন উল্লেখ করে তিনি যথাযথ আইনী সহায়তা লাভের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করতেই সংবাদ সম্মেলন করছেন বলেও জানান।