ফুকুর হাটি ইউনিয়নে বাহাদুর মেম্বর বিচার করে ভুক্তভোগী ডলির লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন

- আপডেট সময় : ০৬:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

অভিযোগ উঠেছে ফুকুর হাটি ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সোহেল ওরফে বাহাদুর মেম্বর বিরুদ্ধে বিচার করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন
ভুক্তভোগী ডলি আক্তার পিতা মোহাম্মদ জিন্নাত আলীর বাড়ি ঢাকুলি ২ ওয়ার্ড ! ডলি আক্তার তার বিচার করে এলাকা এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা ছেলের কাছ থেকে নিয়েছে এবং ডলি হাতে দিয়েছেন মাত্র ২০ হাজার টাকা ! ডলির কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা নেন এবং ছেলের কাছ থেকে এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা নেন ! এ খান থেকে সব টাকা সোহেল ওরফে বাহাদুর মেম্বার ও হবি মেম্বার সভাপতি নিজামুদ্দিন সব টাকা বাট করে নিজেরাই মিলেমিশে নিয়ে নেন ! আর ভুক্তভোগী ডলি আক্তার কে ২০ হাজার টাকা দিয়ে শান্তনামূলক কথা বলেন ! ভুল করেছে তুমি তোমার ভুলের খ্যাচরা তোমারই দিতে হবে
মোহাম্মদ জিন্নত আলী মেয়ের বাবা বলেন এ কেমন বিচার বুঝতে পারলাম না ! এই কুল না ওই কুল করে দিল ! আমার কাছ থেকে ৯,০০০ টাকা নিয়েছে এবং ছেলের পক্ষ থেকে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে বিচার করে । ব্যাপক পরিমাণ মারধর করলো আবার টাকা-পয়সাও নিল অবশেষে আমাকে বলল ২০,০০০ টাকা আপনার কাছে রাখেন ! পরে শুনতে পেলাম বিচার করে ছেলের পক্ষের কাছ থেকে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে ফুকুর হাটি ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোহেল রানা ওরফে বাহাদুর এমন কাজ করেছে এবং সরজমিনে তার সাথে বৈঠকে বসেন জাতীয় পত্রিকা সোনালী কন্ঠ জেলা প্রতিনিধি মোঃ মোবারক হোসেন তার সাথে কথা বলার শেষে স্বীকারোক্তি দেন হ্যাঁ আমি এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা নিয়েছি ছেলের কাছ থেকে সব টাকায় তাদের মাঝে দিয়ে দিচ্ছি ! এই বিষয় ভালো করলেও আমি করেছি খারাপ করলেও আমি করেছি! আমার যদি কোন অপরাধ করে থাকি !! আমি কোন অপরাধ করিনি
ভুক্তভোগীর মা বলেন আমার তিনজন সন্তান নিয়ে আমি জীবন যাপন করতেছি অনেক কষ্টে আমার জীবনে এত বড় দিন আসবে কখনো ভাবি নি ! আল্লাহ সর্বশক্তিমান তিনি এই দুনিয়ার মালিক সেই জানে কোনটা ভালো কোনটা মন্দ ! আমি আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছি আমার জীবনের বাঁচার সবটুকু শুধু এইটুকুই বলবো আমার এলাকাবাসী আমার এই মেয়েকে নিয়ে যে শরম ও লজ্জা পেলাম এবং এলাকাবাসী বিচার করে যে অপমান আমাকে করল ! শুধু সন্তান জন্ম দিয়েছিলাম বলেই আজ এত কিছুর কথা শুনতে হল ! আরো বলেন বিচার করেছে এলাকাবাসী একজন লোকও পেলাম না সঠিক বিচার করে দিল এমন লোক পেলাম না ! বিচারের সকলেই টাকার দিকে নজর কেউ ভাবলো না আমার এই মেয়ের কি হবে ! শুধু তারা টাকা নিয়ে গেল আমাকে বিপদে ফেলে রেখে গেল আল্লাহ তুমি সইবার সুযোগ দিও!!
এ বিষয়ে আরো বলেন জাগির ইউনিয়নের মেম্বার জনাব হবি মিয়া ! এমন বিচার করেছে আমি সন্তুষ্ট নয় আমি কিছু বলতে পারিনি আমি শুধু শুনেছি অমানবিক হয়েছে এটা মেনে নেওয়া যায় না কি করবো বলেন ! আরো বলেন জনাব হবি মিয়া আমার হাতে ২০ হাজার টাকা দিয়েছিল নিজামুদ্দিন বলেছিল এই টাকা ভুক্তভোগী ডলি আক্তার কে দিতে আমি সুন্দরভাবে টাকা গুলো তার হাতে পৌঁছে দিয়েছি ! আপনার যদি মন চায় তার কাছে ফোন করে জানতে পারেন !!
ভুক্তভোগী ডলি আক্তার বলেন আমি বিবাহিত আমার একটি মেয়ে আছে ! আমি পরকীয়া করেছি অপরাধ করেছি ! কিন্তু একজনকে তো ভালোবেসেছি তার সাথে আমার সম্পর্ক হয়েছে সে আমাকে কথা দিয়েছে আমাকে বিয়ে করবে ! আমি তার হাত ধরেছি কিন্তু বিচারকরা এ কেমন বিচার করলো আমার দুই কুল হারিয়ে ফেলল ! আমার গলায় দড়ি দিয়ে মরা ছাড়া আর কোন উপায় নেই ! বিচার করল বিচারক অপরাধী হলাম আমি ! টাকা নিয়ে গেল দালালরা এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা ! আমি যদি এই বিচারের সঠিক বিচার না পাই আমি আত্মহত্যা করব !
সোহেল ওরফে বাহাদুর মেম্বর বলেন আমি এই সম্বন্ধে কিছুই জানিনা আমাকে কেউ কিছু জানায়নি দৈনিক সোনালী কন্ঠকে মিথ্যা কথা বলেছে ! আরো বলেন যে আমি এরকম কোন কাজ করিনি ! কিন্তু অবশেষে যাদের সাথে বসে উনি টাকা-পয়সা বাট বটন করেছেন তারা মুখ খুললেন ! নিজামুদ্দিন বলেন ছেলের কাছ থেকে এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা নিয়েছে ! সোহেল ওরফে বাহাদুর মেম্বর আরো বলেন টাকা কি করেছে তাও আমরা দেখিনি শুধুই শুনেছি ! এখন শুনতে পেলাম এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে মেয়ের হাতে দিয়েছে বিশ হাজার টাকা ! তাও নাকি মেয়ের কাছ থেকে নিয়েছিল ৯,০০০ টাকা ১১ হাজার টাকা মিলিয়ে এই ২০ হাজার টাকা ডলি আক্তার ভুক্তভোগী কে দিয়েছেন
ছেলে কাকা মোঃ লালন মিয়া বলেন হা আমার ভাতিজা অন্যায় করেছে ! আমরা শুনতে পেয়েছি এখন তো একটা ফয়সালা করতে হবে ! সেই জন্য সোহেল ওরফে বাহাদুর মেম্বর আমাদের কাছ থেকে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে ! আমি লালন মিয়া নিজ হাতে টাকাগুলো সোহেল ওরফে বাহাদুর মেম্বর এর হাতে তুলে দিয়েছি !!
সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন বিচারের সময় জনাব নিজাম উদ্দিন বয়স ৫০ বাড়ি ঢাকুলি বলেছেন টাকা পেয়েছি ৮০ হাজার টাকা ! আমার হাতে দিয়েছিল বাহাদুর মেম্বার ও শরীফ ! সেই টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা আমি দিয়েছি হবি মেম্বারের হাতে বলেছি টাকাগুলো ভুক্তভোগী ডলি আক্তার কে ২০ হাজার টাকা দিতে ! বাকি টাকা আমার কাছে ছিল সবাই মিলে দিল খরচ করেছি
ফুকুর হাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেন এ বিষয়ে আমি প্রথম শুনলাম এমন কথা ! এমন ঘটনা আমার ওয়ার্ডের মেম্বার বাহার উদ্দিন করেছে আমি একটু কথা বলবো বাহার উদ্দিনের সাথে ! ঘটনা সত্যতা প্রমাণ হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি !এমন কোন কিছু করা দেওয়া যাবে না ! যা দেশের জন্য ও মঙ্গল ! এবং আরো বলেন বৈষম্য ছাত্র জনতা আন্দোলন করে দেশটা নতুন ভাবে স্বাধীনতা ফিরে দিয়েছেন ! এই সময় এমন একটা কাজ করছে আমি শুনে লজ্জিত !!