ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সকলের প্রচেষ্টায় পবিপ্রবিকে দেশের উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করতে চাই — উপাচার্য

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / ১৫ Time View
Print

মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সোমবার (২৩ জুন) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

‎মঙ্গলবার(২৩ জুন) সকাল ৯টায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি খামার বিভাগ পরিদর্শন করেন। এ সময় খামারের বিভিন্ন উৎপাদন ও গবেষণা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরবর্তীতে মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের হিট-এটিএফ সাব-প্রজেক্টের আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য কৃষি খামার এলাকায় উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করেন।

‎সংশ্লিষ্টরা জানান, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন পরিদর্শন করে চলমান শিক্ষা কার্যক্রম ও বিভিন্ন অবকাঠামোগত বিষয় পর্যালোচনা করেন। সকাল ১০টায় এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অনুষদের আন্ডার গ্রাজুয়েট শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের গবেষণা ডিফেন্স কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণার মান ও উপস্থাপনা সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
‎এ সময় উপাচার্যের একান্ত সচিব আরিফুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎পরিদর্শনকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি শুধু শ্রেণিকক্ষ বা অবকাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল ভিত্তি হলো গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানচর্চা। কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা—এসব ক্ষেত্র বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে পবিপ্রবিকে একটি গবেষণাভিত্তিক ও উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
‎তিনি আরও বলেন, “সময় খুব অল্প, অথচ কাজ অনেক। সবাইকে নিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পবিপ্রবিকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই। শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে।”
‎বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমের প্রতি উপাচার্যের এই নিবিড় তদারকি এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে পবিপ্রবিকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পথে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

সকলের প্রচেষ্টায় পবিপ্রবিকে দেশের উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করতে চাই — উপাচার্য

Update Time : ০৬:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
Print

মোঃ সজিব সরদার
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সোমবার (২৩ জুন) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

‎মঙ্গলবার(২৩ জুন) সকাল ৯টায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি খামার বিভাগ পরিদর্শন করেন। এ সময় খামারের বিভিন্ন উৎপাদন ও গবেষণা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরবর্তীতে মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের হিট-এটিএফ সাব-প্রজেক্টের আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য কৃষি খামার এলাকায় উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করেন।

‎সংশ্লিষ্টরা জানান, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন পরিদর্শন করে চলমান শিক্ষা কার্যক্রম ও বিভিন্ন অবকাঠামোগত বিষয় পর্যালোচনা করেন। সকাল ১০টায় এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অনুষদের আন্ডার গ্রাজুয়েট শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের গবেষণা ডিফেন্স কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণার মান ও উপস্থাপনা সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
‎এ সময় উপাচার্যের একান্ত সচিব আরিফুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎পরিদর্শনকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি শুধু শ্রেণিকক্ষ বা অবকাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল ভিত্তি হলো গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানচর্চা। কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা—এসব ক্ষেত্র বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে পবিপ্রবিকে একটি গবেষণাভিত্তিক ও উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
‎তিনি আরও বলেন, “সময় খুব অল্প, অথচ কাজ অনেক। সবাইকে নিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পবিপ্রবিকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই। শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে।”
‎বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমের প্রতি উপাচার্যের এই নিবিড় তদারকি এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে পবিপ্রবিকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পথে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।