শ্যামনগরে মানববন্ধনের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
- Update Time : ০৫:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
- / ২০ Time View

মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
গত ১৮মে শৈলখালী মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসর সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও মিথ্যাচার মানববন্ধনের প্রতিবাদে প্রকৃত জমির ওয়ারেশগন ১৯ মে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গোলাম মোস্তফা। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী মৌজার এস,এ ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, দাগে ১৫ বিঘা জমি সামালী ওরফে সামছুর রহমান গত ইং- ২০/১২/১৯৭৬ সালে ৫৯১৪ নং দলিল মূলে শৈলখালী মৌজার মহমার্থীয়া আলিয়া মাদ্রাসার নামে দানপত্র করেন। উক্ত দলিলে উল্লেখ থাকে যে, উক্ত স্থানে বা উক্ত মাদ্রাসার নামে মাদ্রাসা না হলে দানকৃত সম্পত্তি মুল মালিকের নামে খাস দখলে আসিবে। উক্ত জমি খাস খতিয়ানে চলিয়া যায়। পরবর্তীতে ৫৯১৪ নং দানপত্রের ১৫ বিঘা জমি মাদ্রাসার নামে আনার জন্য মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ একই নম্বরে দাগ বাড়িয়ে একটি জাল দলিল সৃষ্টি করে। এর পর ১৫ বিঘা জমি দখলে নেওয়ার জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক তৎপক্ষ সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস দরখস্ত করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ওয়ারেশগন পক্ষ হয়ে আবেদন করে। বিজ্ঞ বিচারক শুনানী শেষে জাল দলিল প্রমান হওয়ায় মাদ্রাসার পক্ষের দরখস্তটি খারিজ করে দেন। এরপর জমির ওয়ারেশগন খুলনা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করে। যেখানে সেটেলমেন্ট অফিস ওয়ারেশদের পক্ষে রায় দেন এবং রেকর্ড সংশোধনের নির্দেশ দেন। সেই মোতাবেক তারা ৪৯ নং দাগে রেকর্ড পায়। বর্তমানে ওয়ারেশগনের নামে প্রিন্ট পর্চা হয়েছে। যার ভিপি- ৩০৯৭, এদিকে মাদ্রাসা রক্ষার্থে ভিন্ন দাগে সামছুর রহমানের মেঝ পুত্র আবুল কানাম আজাদ ১ একর জমি দান করেন। উক্ত জমিতে বর্তমান শৈদখালী মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে উক্ত সম্পত্তি ছাড়া অন্যান্য মানুষের দেওয়া সম্পত্তিতে মাদ্রাসা চলমান আছে। এরপর শামসুর রহমানের ওয়ারিশগণ মিউটেশন করে প্রিন্ট পর্চা পায়। সেই মোতাবেক তারা উক্ত জমিতে মৎস্য ঘের পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। গত- ১৮ মে আল মামুনের নেতৃত্বে য়েরের ঘেরা বেড়া ভাঙচুর ও মাছ লুট করে। এ ঘটনায় তারা পত্রিকায় লিখনের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



















