ফেনীতে মানবাধিকারের পক্ষে জোরালো বার্তা — তৃণমূলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
- Update Time : ১০:২৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
- / ১৮০ Time View

মোহাম্মদ হানিফ,স্টাফ রিপোর্টার ফেনী;
ফেনীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মাসিক মতবিনিময় সভায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সভায় বক্তারা মাদক, সন্ত্রাস, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি দরিদ্র ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ফেনী শহরের কুটুম বাড়ি হোটেলের তৃতীয় তলায় আয়োজিত এ সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার ফেনী জেলা সভাপতি ডা. কামরুজ্জামান জিকু। উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা উপ-পরিচালক মোহাম্মদ উসমান, জেলা সহকারী উপ-পরিচালক মুরশেদ আলম সুজন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আনিছুর রহমান, সমাজসেবক কামাল উদ্দিনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. কামরুজ্জামান জিকু বলেন,
“মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে আমাদের সংগঠন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজের অবহেলিত ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
সদর উপজেলা সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন,
“মানবাধিকার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় হতে হবে।”
প্রধান অতিথি আবুল কাশেম বলেন,
“দেশব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ হানিফ বলেন,
“অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিটি সদস্যকে সাহসিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
সভায় বক্তারা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং অসহায় মানুষের আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।
পরে দেশ, জাতি ও সংগঠনের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


























