ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘অদম্য একুশ ‘র আনুষ্ঠানিক যাত্রা ও ঈদ পুনর্মিলনী কৈলাসেশ্বরী কালী মন্দিরে শ্রীমৎ তারাচরণ পরমহংসদেবের ১৪৬ তম আবির্ভাব তিথি ও বাসন্তীপূজা উদযাপন ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী উদ্ধার জীবননগরে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত আহত-৩ সাতক্ষীরার তালায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতার মধ্যে মারামারি, আহত-৫ দেশীয় মাছ ও পাখির অভয়াশ্রম প্রভাবশালীদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত কালীগঞ্জে রায়পুর, নিজদেবপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে যাত্রীকে পেটালেন শ্রমিকরা বিএনপি চেয়ারপারসন’র উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর চন্দ্রনাথ মন্দির পরিদর্শন একতা সংঘের উদ্যোগে রজত জয়ন্তী ও বাসন্তী পূজা উদযাপন

দেশীয় মাছ ও পাখির অভয়াশ্রম প্রভাবশালীদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ ১১ বার পড়া হয়েছে



‎গোলাম রববানী,হরিপুর(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ-প্রাকৃতিক-বৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে,এই বিলের দেশীয় মাছ ও নানান প্রজাতির পাখি যদি হারিয়ে যায়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে হবে । এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে কিভাবে এই বিশাল প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ধরে রাখা যায়। এই ডাঙ্গীপাড়া বিলকে দ্রুত নানান প্রজাতির মাছ ও পাখির আবাসস্থলকে অভায়শ্রম করার একান্ত প্রয়োজন ।
‎প্রাচীন কাল থেকে দেশীয় মাছের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিলো, হরিপুর উপজেলার ৪ নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নের ডাঙ্গীপাড়া বিল। দাগ নং ১৪০৮, পরিমান ৬,৬২ শতক ও দাগ নং ১০২৪ পরিমাণ- ১৬.০৫ শতক।
‎ এরশাদ সরকারের আমলে ১০২৪ দাগে পুকুর খনন করে, মাছ চাষের উপযোগী করে। পরবর্তীতে গ্রামীণ ব্যাংককে দশ বছরের জন্য লিজ প্রদান করে।লিজ থাকাকালীন সময়ে পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে, তৎকালীন ক্ষমতাশীল দলের প্রভাবশালী নেতা পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে জলাশয়টি করে দখলে নেয়।অপর দাগ নং ১৪০৮ এ এরশাদ সরকারের আমলে একটি কুচক্রী মহল জমি আকার পরিবর্তন করে,ভূয়া কবুলিয়ত দেখিয়ে ডাঙ্গীপাড়া বিল দখলে নেয়। অতীতে বিলে অসংখ্য জলজ উদ্ভিদ, নানান প্রজাতির পাখি বাস করত, যেমন,বালি হাঁস, ডাহুক, শাড়লি,শামখোল,ফুলোহর,মদনটাক, বক,কাক,পানকৌড়ি, পেচা,কাগ ইত্যাদি । এই জীববৈচিত্র্য আজ বিলুপ্তির পথে।এখনো ১০২৪ দাগে ১৬.৫ একর জলাশয়ে হাজার হাজার বালিহাঁস, বক,সহ নানান প্রজাতির পাখির বাস, উক্ত জলাশয়ে দিনের বেলায় পাখির কলতানে মুখরিত থাকে। অপর ১৪০৮ দাগের জমির আকার পরিবর্তন করে ব্যক্তিগত পুকুর করায় দেশীয় মাছের প্রজনন স্থান ধ্বংস হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় এলাকাবাসীর দাবি জানিয়েছেন, বাপ-দাদার আমলে থেকে দেখে আসার বিলের প্রাকৃতিক জীব-বৈচিত্র্য ধ্বংসের পথে। যদি পক্ষান্তরে যে সব ব্যক্তি সরকারের সম্পত্তির ভূয়া কবুলিয়ত দেখিয়ে আকার পরিবর্তন করে ব্যক্তিগত পুকুর খনন করে দেশীয় মাছ চাষের স্থান ধ্বংস করেছে। সরকারি সম্পত্তির কবুলিয়ত নীতিমালা স্পষ্ট লংঘন, খাল,বিল, নালা, সরকারি সম্পত্তির দূর্নীতি করে কবুলিয়ত নিয়েছেন।
‎এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হরিপুর-কালিগঞ্জ ব্রীজের নীচে ও আশপাশের মাছের আশ্রয়স্থলসহ হরিপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানের মাছের অভয়াশ্রম। আরও দেখা যাচ্ছে যে মাছের অভয়াশ্রমের সম্পূর্ণ পানি সেচের মাধ্যমেও ধ্বংস করছেন পরবর্তী প্রজন্মের।
‎ এলাকাবাসির জানান যেহেতু খাল, বিল, নদী-নোনা,কবুলিয়ত দেওয়ার বিধান নেই। সেহেতু কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি ভূয়া কবুলিয়ত বাতিল করে পাখির অভায়শ্রম ও দেশীয় মাছের নিরাপদ আশ্রয় স্থল করা হোক। ইতিমধ্যে এলাকায় অভয়াশ্রম করণের জোরালো ভাবে দাবি উঠেছে।


নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আমি এই প্লাটফর্মটি তৈরী করেছি এ দেশের সাধারণ মানুষের কন্ঠস্বর হিসাবে পরিচালিত করার জন্য।আমরা অবিরত থাকবো সততা নিয়ে সত্যের সাথে। দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা এ দেশের নির্যাতিত ও নিপীড়িত গনমানুষের কথা বলবে এবং সত্য প্রকাশে থাকবে আপোষহীন।
ট্যাগস :

দেশীয় মাছ ও পাখির অভয়াশ্রম প্রভাবশালীদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫



‎গোলাম রববানী,হরিপুর(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ-প্রাকৃতিক-বৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে,এই বিলের দেশীয় মাছ ও নানান প্রজাতির পাখি যদি হারিয়ে যায়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে হবে । এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে কিভাবে এই বিশাল প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ধরে রাখা যায়। এই ডাঙ্গীপাড়া বিলকে দ্রুত নানান প্রজাতির মাছ ও পাখির আবাসস্থলকে অভায়শ্রম করার একান্ত প্রয়োজন ।
‎প্রাচীন কাল থেকে দেশীয় মাছের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিলো, হরিপুর উপজেলার ৪ নং ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নের ডাঙ্গীপাড়া বিল। দাগ নং ১৪০৮, পরিমান ৬,৬২ শতক ও দাগ নং ১০২৪ পরিমাণ- ১৬.০৫ শতক।
‎ এরশাদ সরকারের আমলে ১০২৪ দাগে পুকুর খনন করে, মাছ চাষের উপযোগী করে। পরবর্তীতে গ্রামীণ ব্যাংককে দশ বছরের জন্য লিজ প্রদান করে।লিজ থাকাকালীন সময়ে পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে, তৎকালীন ক্ষমতাশীল দলের প্রভাবশালী নেতা পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করে জলাশয়টি করে দখলে নেয়।অপর দাগ নং ১৪০৮ এ এরশাদ সরকারের আমলে একটি কুচক্রী মহল জমি আকার পরিবর্তন করে,ভূয়া কবুলিয়ত দেখিয়ে ডাঙ্গীপাড়া বিল দখলে নেয়। অতীতে বিলে অসংখ্য জলজ উদ্ভিদ, নানান প্রজাতির পাখি বাস করত, যেমন,বালি হাঁস, ডাহুক, শাড়লি,শামখোল,ফুলোহর,মদনটাক, বক,কাক,পানকৌড়ি, পেচা,কাগ ইত্যাদি । এই জীববৈচিত্র্য আজ বিলুপ্তির পথে।এখনো ১০২৪ দাগে ১৬.৫ একর জলাশয়ে হাজার হাজার বালিহাঁস, বক,সহ নানান প্রজাতির পাখির বাস, উক্ত জলাশয়ে দিনের বেলায় পাখির কলতানে মুখরিত থাকে। অপর ১৪০৮ দাগের জমির আকার পরিবর্তন করে ব্যক্তিগত পুকুর করায় দেশীয় মাছের প্রজনন স্থান ধ্বংস হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় এলাকাবাসীর দাবি জানিয়েছেন, বাপ-দাদার আমলে থেকে দেখে আসার বিলের প্রাকৃতিক জীব-বৈচিত্র্য ধ্বংসের পথে। যদি পক্ষান্তরে যে সব ব্যক্তি সরকারের সম্পত্তির ভূয়া কবুলিয়ত দেখিয়ে আকার পরিবর্তন করে ব্যক্তিগত পুকুর খনন করে দেশীয় মাছ চাষের স্থান ধ্বংস করেছে। সরকারি সম্পত্তির কবুলিয়ত নীতিমালা স্পষ্ট লংঘন, খাল,বিল, নালা, সরকারি সম্পত্তির দূর্নীতি করে কবুলিয়ত নিয়েছেন।
‎এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হরিপুর-কালিগঞ্জ ব্রীজের নীচে ও আশপাশের মাছের আশ্রয়স্থলসহ হরিপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানের মাছের অভয়াশ্রম। আরও দেখা যাচ্ছে যে মাছের অভয়াশ্রমের সম্পূর্ণ পানি সেচের মাধ্যমেও ধ্বংস করছেন পরবর্তী প্রজন্মের।
‎ এলাকাবাসির জানান যেহেতু খাল, বিল, নদী-নোনা,কবুলিয়ত দেওয়ার বিধান নেই। সেহেতু কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি ভূয়া কবুলিয়ত বাতিল করে পাখির অভায়শ্রম ও দেশীয় মাছের নিরাপদ আশ্রয় স্থল করা হোক। ইতিমধ্যে এলাকায় অভয়াশ্রম করণের জোরালো ভাবে দাবি উঠেছে।