ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এখন জামায়াতের সভাপতি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫ ৯২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক :কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আবু হানিফ নামে এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। চাঞ্চল্যকর তথ্যের খবরের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে রাজনীতিক মহলসহ সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুখে সাধারণ মানুষের মাঝে। আলোচিত সমালোচিত হচ্ছে দেশজুড়ে।

জানা গেছে, আগামী শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ওই ওয়ার্ডে জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের জন্য ছাপানো পোস্টারে আবু হানিফের নাম এবং তার নতুন পদবি প্রকাশিত হয়, যা বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসে। পরে গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেন আবু হানিফ।

আবু হানিফ, যিনি মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (ইউপি মেম্বার), আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তিনি বলেন, সাহাবৃদ্ধি সাকুরা কিন্ডারগার্টেনে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের সময় আগের সেক্রেটারি উপস্থিত না থাকায় আমার নাম ঘোষণা করা হয়। আমি রাজি না থাকলেও নেতারা জোর করে আমাকে সাধারণ সম্পাদক পদে বসান। পরবর্তীতে উন্নয়নমূলক কাজের স্বার্থে আমি আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে কাজ করি। তবে আমি আগে থেকেই জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। বর্তমানে আমি জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারিনি, কারণ দলটির সাংগঠনিক নেতারা পলাতক ছিলেন। তবে শিগগিরই পদত্যাগপত্র জমা দেব।

তিতাস উপজেলা জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার শামীম সরকার বলেন, যৌক্তিক কারণেই আবু হানিফকে ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল মতিন বলেন, আবু হানিফ মেম্বার হওয়ার ১০ বছর আগে থেকেই জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। ইউপি সদস্য হওয়ার পর তাকে জোরপূর্বক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়। তবে তিনি সবসময়ই আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। এই পত্রিকার মূল স্লোগান হলো "সত্য প্রকাশে আপোষহীন"।আমরা এ দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের কথা বলি।একজন অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে অন্যায় প্রতিরোধে সাহায্য করতে আমরা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা গনমানুষের কথা বলে।
ট্যাগস :

সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এখন জামায়াতের সভাপতি

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক :কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আবু হানিফ নামে এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। চাঞ্চল্যকর তথ্যের খবরের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে রাজনীতিক মহলসহ সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুখে সাধারণ মানুষের মাঝে। আলোচিত সমালোচিত হচ্ছে দেশজুড়ে।

জানা গেছে, আগামী শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ওই ওয়ার্ডে জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের জন্য ছাপানো পোস্টারে আবু হানিফের নাম এবং তার নতুন পদবি প্রকাশিত হয়, যা বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসে। পরে গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেন আবু হানিফ।

আবু হানিফ, যিনি মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (ইউপি মেম্বার), আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তিনি বলেন, সাহাবৃদ্ধি সাকুরা কিন্ডারগার্টেনে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের সময় আগের সেক্রেটারি উপস্থিত না থাকায় আমার নাম ঘোষণা করা হয়। আমি রাজি না থাকলেও নেতারা জোর করে আমাকে সাধারণ সম্পাদক পদে বসান। পরবর্তীতে উন্নয়নমূলক কাজের স্বার্থে আমি আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে কাজ করি। তবে আমি আগে থেকেই জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। বর্তমানে আমি জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারিনি, কারণ দলটির সাংগঠনিক নেতারা পলাতক ছিলেন। তবে শিগগিরই পদত্যাগপত্র জমা দেব।

তিতাস উপজেলা জামায়াতের আমির ইঞ্জিনিয়ার শামীম সরকার বলেন, যৌক্তিক কারণেই আবু হানিফকে ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল মতিন বলেন, আবু হানিফ মেম্বার হওয়ার ১০ বছর আগে থেকেই জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। ইউপি সদস্য হওয়ার পর তাকে জোরপূর্বক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়। তবে তিনি সবসময়ই আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।