বিউটি খাতুন স্টাফ রিপোর্টার:-সাতক্ষীরা জেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে গতকাল ৩১ শে মার্চ সকাল আনু: ৮ ঘটিকার দিকে খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভাঙ্গন হতে দেখা যায়।নদীটি সরাসরি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। হালকা বর্ষন হলে সমস্যায় পড়তে হয় আনুলিয়াসহ পাশ্ববর্তী সকল ইউনিয়নের লোকজনকে। প্রতিবছরের ন্যায় কোন বর্ষন ছাড়াই গতকাল ঈদ উল ফিতর উদযাপনের দিন আনুলিয়া ইউনিয়নের লোকজন ঈদের নামাজরত অবস্থায় জানতে পারে ভাঙনের খবর।আনুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব রুহুল কুদ্দুস,আনুলিয়া ইউনিয়নের বি এন পির সভাপতি শওকত সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে সাধারণ জনগণকে নিয়ে প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে ভাঙন এলাকায় গিয়ে বাঁধার জন্য অনেক চেষ্টা করে, কিন্তু প্রচন্ড স্রোতের টানে ব্যর্থ হয় এবং তাদের সাথে থাকা বস্তাসহ অন্যান্য জিনিস স্রোতের টানে চলে যায়। তারা আশায় থাকে ভাটার টানে বাঁধার জন্য। এলাকায় এলাকায় জনগনকে ডাকা হয় মাইকের আওয়াজে কিন্তু জনগণ আসলেও কোন ভাবেই বাঁধা সম্ভব হয় নি। চারিদিকে মানুষের হাহাকার ভেসে আসছে। মানুষ যে কোথায় যাবে তার কোন ঠিক নেই সাথে ছাগল, হাঁস, মুরগি জিনিসপত্র পানিতে ভেসে চলে যাচ্ছে। প্রথমে ভাঙনের পরিমাণ ছিল মাত্র ৫০ ফুট। এখন ভাঙনের পরিমাণ আস্তে আস্তে যে কত ফুট হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। এখন শুধু আনুলিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিছট এলাকা নয় পুরো আনুলিয়া ইউনিয়নসহ পাশ্ববর্তী খাজরাসহ বড়দল ইউনিয়ন ও পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পুরো তিন ইউনিয়নের আহাজারিতে কাঁদছে আশাশুনিবাসী ।আনুলিয়া ইউনিয়নের বি এন পির সভাপতি শওকত বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডে ফোন দিলে তারা আসতে চেয়ে আসে নি। থানায় জানানো হয়েছে থানা থেকে ফোর্স এসে দেখে গিয়েছেন। এটা স্থানীয় জনগণের একার পক্ষে সম্ভব নয় । তাই পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসক ও সরকার উদ্যোগ নিলে আশাশুনির খোলপেটুয়া নদীতে খুব বাঁধ নির্মাণ হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ রায়হান সুলতান।
যোগাযোগঃ ৭২/৭-৮ মানিকনগর, মুগদা,ঢাকা-১২০৩
মোবাইলঃ +৮৮০৯৬৩৮০৮৯০১৪
Copyright © 2025 দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র. All rights reserved.