
মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের রাউজানে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাউজান উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, চলতি বছর রাউজান উপজেলায় সর্বমোট ২৩৩টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম রাহাতুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অং চিং মারমা এবং রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নোয়াজিষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, রাউজান পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী এবং রাউজান পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মঞ্জুরুল হক।
এ সময় রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ পালিত বাসু, সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু দে, রাউজান উপজেলা সনাতন ঐক্যবদ্ধ সমাজের সভাপতি ডাঃ লিটন শর্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পা কুমার দাশ, রাউজান উপজেলা জাগো হিন্দু পরিষদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রি পাল ইমন, অর্থ সম্পাদক ভোমর দাশ, বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) রাউজান উপজেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক পাভেল চৌধুরী, মানস সরকার, ডাঃ জনি দাশ, সৈকত দে ও হৃদয় চক্রবর্তী, ছোটন ঘোষ, প্রান্ত,সোহেল দাশ, রূপস দাশ গুপ্ত, দোলন দে ত্রিপাল চৌধুরী, শংকর দে,বিশ্বজিৎ দাশ, সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, মন্দির ও পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদযাপন কমিটি, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। উৎসবকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য পূজা উদযাপন কমিটিগুলোর প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে রাউজানে শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ আনন্দঘন, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হবে।