রংপুরে যুবলীগ কতৃক সাংবাদিক হামলার ১২ দিনেও আসামী ধরতে পারেনি পুলিশ

- আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি,রংপুর:
রংপুরে যুব লীগ কতৃক সাংবাদিক হামলার ১২ দিনেও আসামী ধরতে পারেনি পুলিশ। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী যুব লীগ ক্যাডার জাহিদ হাসান জনি.ও ছাত্র লীগ ক্যাডার জিন্নাতুল ইসলাম জয়। জানা যায় রংপুর নগরীর ধাপ সাগর পাড়া এলাকার, মৃত্যু- আবুল হোসেনের মেয়ে জোছনার দুই ছেলে জাহিদ ও জয়,তার মা জোছনা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য তার স্বামী মাহাফুজার রহমান মুকুল তাকে ডিভোর্স দেন১৭বছর আগে তারপর থেকে জোছনা বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন।
ধিরে ধিরে তার দুই ছেলে
জাহিদ ও জয় তার মা জোছনার পথে হাঠা শুরুকরেন।
ফ্যাসিবাদ আওয়ামী যুব লীগ মহানগর এর সভাপতি বাশারের ক্যাডার ও মহানগ ছাত্র লীগের চপ্পল এর ক্যাডার হয়ে কাজ করেন
এই দুই ভাই। ৫ আগস্টের পর তারা সকলেই গা ঢাকা দিলেও এই দুই ভাই অন্যায় মূলক কার্যকলাপ চালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
জাহিদের বিরুদ্ধে রয়েছে জালাও পোড়া,নারী শিশু, অস্ত্র চোরা চালান, ছিনতাই সহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি মামলা,জার জি আর নং-৫৫০/১৪ জি আর নং ১৭৯/১৪ জি আর নং ১৮২/১২ জি আর নং ১৪৯/১৪-/১৪৩/৩৪২, ৩২৩/৩২৫, ৩২৬/৩০৭, ৩৭৯/৩০৭, ৩৭৯/৪২০, ৫০৬/১১৪/৩৪,তার বিরুদ্ধে এতো মামলা চলমান থাকার পরও সে কোনো অদৃশ্য শক্তির দাপটে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিতরে এ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড বটতলায় জাহিদ ও জয় দ্বারা দৈনিক ঢাকা প্রত্রিকার রংপুর বিশেষ প্রতিনিধি মাটি মামুন প্রকাশ্যে দিবালোকে হামলার শিকার হন। এ হামলার ১২ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত আসামী দের কে গ্রেফতার করতে পারেনি রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
এদিকে সাংবাদিক সমাজ আসামীদের গ্রেফতার না করায় ক্ষুব্ধ। নগরীর ধাপ কাকলী লেন এর অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার আব্দুল সালাম এর বাড়ি ভাড়ায় তাকেন জাহিদ, জয় ও তার মা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ বাড়ির এক ভাড়াটিয়া বলেন জাহিদ ও জয় তারা দুই ভাই এক সাথে মাদক সেবন করেন, এমন কি চুরি ছিনতাই সহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত আছেন পুলিশ কেনো তাদের কে গ্রেফতার করে না তা আমার বোধগম্য নয়।
এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার আব্দুল মজিদ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন মামলা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতাউর রহমান বলেন এই মামলার আয়ু ধাপ ফাঁড়ির ইনচার্জ কে দেওয়া হয়েছে আপনারা তার সাথে কথা বলেন। ধাপ ফাঁড়ির ইনচার্জ জিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন আসামী ধরার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।