যশোরের মনিরামপুরে স্কুল এর কেরানির, বিরুদ্ধে একাধিক বার পরকিয়া করে সংসার ভাঙার অভিযোগ

- আপডেট সময় : ০২:০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪ ৫২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার মনিরামপুর
মনিরামপুর উপজেলার হরিদাস কাটি ইউনিয়নের সমস কাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেরানি, শাহরিয়ার হোসেন আলীর, বিরুদ্ধে একাধিক বার পরকীয়া করে সংসার ভাঙ্গার অভিযোগ উঠেছে। গ্রাম বাসীর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন জাবত, শাহরিয়ার হোসেন আলী তার ঘরে বিবাহিত স্ত্রী কে রেখে পরকীয়া করে তিন থেকে ছয় মাস সংসার পাতার পর তাদের স্বামী সংসার থেকে চুরি করে আনা টাকা পয়সা স্বর্ণ অলংকার হাতিয়ে নেওয়ার পর ডিভোর্স দেন তাদের কে। গ্রাম বাসীর সূত্রে আরও জানা যায়। ঘরে প্রথম স্ত্রী কে রেখে চান্দুয়া গ্রামের প্রবাসী থাকা মফিজুরের স্ত্রী আয়েশা খাতুনের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে, এক পর্যায়ে অর্থের লোভে মফিজুরের স্ত্রী কে বিবাহ করেন শাহরিয়ার হোসেন আলী। তাকে নিয়ে ছয় মাস সংসারও করেন তিনি। পরে আয়েশার কাছে থাকা প্রবাস থেকে পাঠানো নগদ অর্থ ও স্বর্ণ অলংকার হাতিয়ে নিবে বলে জানতে পারায় , নিজেই ডিভোর্স দেন হোসেন আলী কে । অন্য দিকে ডিভোর্সের কিছু দিন যেতে না যেতেই তার বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মোঃ আলামিন হোসেনের মা রুমা খাতুনের, সঙ্গে পরকিয়ায় লিপ্ত হয়ে, নগদ নয় লক্ষ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ তার মা রুমা খাতুন কে নিয়ে পালিয়ে চলে যায় লম্পট , হোসেন আলী।রুমা খাতুনের স্বামী ,আলতাফ হোসেন গ্রামের মাতব্বরদের কাছে অভিযোগ দিলে তারা ৭/৬/২০২৪ তারিখে গ্রাম্য সালিশের জন্য ডাকেন শাহরিয়ার হোসেন আলী কে। এক পর্যায়ে তিনি হাজির হয়ে দুই দিনের সময় নিয়ে যাওয়ার পর গত ৯/৬/২০০৪/ তারিখে তাকে হাজির হওয়ার কথা বললে তিনি সালিশে হাজির হবেন না বলে জানান মাতব্বরদের এ বিষয়ে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে গ্রামে থাকা সকল পেশাজীবী মানুষের কাছ থেকে গন স্বাক্ষর নিয়ে তাকে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন । অন্য দিকে শাহরিয়ার হোসেন আলী, কে না পেয়ে তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করিতে গেলে তিনি বার বার ফোনটি কেটে দিতে থাকেন তিনি। এদিকে গ্রাম বাসী গ্রাম্য সালিশের ডাক দিলে হাজির না হওয়ায় তারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও – সংসদ সদস্য এস এম ইয়াকুব আলী সহ উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলুর কাছে এর সুস্থ বিচারের দাবি জানান।