
যশোর অফিস :
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাঙ্কিত ভিত্তিপ্রস্তর ভাঙচুরের ঘটনায় দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সঠিক তদন্ত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গত এপ্রিল মাসে যবিপ্রবি পরিদর্শনে এসে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় তিনি বলেন, ‘ঠিক এভাবেই বিগত দিনে আমাদের কলিজাতে কত আঘাত তারা করেছে।’
অভিযোগ রয়েছে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে কিছু অতি-উৎসাহী কর্মকর্তা ও কর্মচারী রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার নাম-সম্বলিত ভিত্তিপ্রস্তরটি ভাঙচুর করেন। ওই সময় ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িচালক সাহেব আলীকে লোকদেখানোভাবে তিন দিনের বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তাকে মাস্টার রোলে থাকা চাকরি স্থায়ী করে পুরস্কৃত করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ বরখাস্ত, কেউ বদলি হলেও ভিত্তিপ্রস্তর ভাঙচুরের ঘটনায় মূল হোতা হিসেবে অভিযোগ ওঠা গাড়িচালক সাহেব আলীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা এখনো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বহাল রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে এস্টেট ও পরিবহন বিভাগে তাদের প্রভাব ও আধিপত্য রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
এদিকে, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় বেগম খালেদা জিয়ার নিজ হাতে রোপণ করা একটি নিমগাছকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে তার পাশে একটি বটগাছ রোপণ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় এস্টেট বিভাগের তৎকালীন আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এসব জানেত গাড়িচালক সাহেব আলীকে দু’দফা েফান করেল তিনি রিসিভ করেনি।