ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে রায়পুর, নিজদেবপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের সামনে যাত্রীকে পেটালেন শ্রমিকরা বিএনপি চেয়ারপারসন’র উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর চন্দ্রনাথ মন্দির পরিদর্শন একতা সংঘের উদ্যোগে রজত জয়ন্তী ও বাসন্তী পূজা উদযাপন কালীগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত চীনেডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গৌরবের ঐতিহ‍্যের ৫০ বছর পূর্তি সুবর্ণ জয়ন্ত উৎসব বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ জন যশোরের পুলেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও দুই মেয়ে নিহত লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহতদের পরিদর্শনে:উপদেষ্টা ফারুক ই আজম ও মেয়র শাহাদাত যশোরে ঈদ মেলায় ফুচকা খেয়ে দুই শতাধিক অসুস্থের ঘটনায় বিক্রেতা আটক

মুম্বাইয়ের কলেজে জিন্স ও টি-শার্ট নিষিদ্ধ

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রিয়াজ মিয়া

ভারতের মুম্বাইয়ের চেম্বুর এলাকার আচার্য অ্যান্ড মারাঠে কলেজে ছেঁড়া জিন্স ও টি-শার্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে নতুন একটি ‘ড্রেস কোড’ জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর হিজাবসহ বেশ কয়েকটি পোশাক পরিধানে নিষেধাজ্ঞা দেয় মুম্বাইয়ের এই কলেজ। পরে সেই নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে আবেদন করেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন মুম্বাই হাইকোর্ট।

এরপর কলেজ থেকে গত ২৭ জুন ‘ড্রেস কোড ও অন্যান্য নিয়ম’ শীর্ষক এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে বলা হয়, ‘ছেঁড়া’ জিন্স, টি-শার্ট, খোলামেলা পোশাক ও জার্সি পরে কলেজে আসা যাবে না।

কলেজের অধ্যক্ষ ড. বিদ্যাগৌরী লেলে স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে থাকাকালীন আনুষ্ঠানিক ও শালীন পোশাক পরতে হবে। তারা হাফ বা ফুল শার্ট ও ট্রাউজার পরতে পারেন। মেয়েরা ভারতীয় বা পশ্চিমা যেকোনো পোশাক পরতে পারেন। তবে শিক্ষার্থীরা এমন কোনো পোশাক পরবে না, যা ধর্ম বা সাংস্কৃতিক বৈষম্য দেখায়।’

আচার্য অ্যান্ড মারাঠে কলেজের এই ড্রেস কোডের ব্যাপারে গোভান্দি সিটিজেন অ্যাসোসিয়েশনের আতিক খান বলেন, ‘গত বছর তারা হিজাব নিষিদ্ধ করেছিল। এই বছর তারা জিন্স ও টি-শার্ট নিষিদ্ধ করেছে, যা শুধুমাত্র কলেজগামী যুবক-যুবতীরাই নয় বরং ধর্ম ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই পরেন। আমরা বুঝতে পারছি না, তারা এ ধরনের ‘অবাস্তব’ ড্রেস কোড এনে শিক্ষার্থীদের ওপর কী চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।’

তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের করপোরেট ওয়ার্ল্ডের জন্য প্রস্তুত করার জন্যই এই নিয়ম।

অধ্যক্ষ ড. লেলের ভাষ্যমতে, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শালীন পোশাক পরুক। আমরা কোনো ইউনিফর্ম পরতে বলছি না। তবে তাদের ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় বা পশ্চিমা পোশাক পরতে বলেছি। সর্বোপরি, চাকরি করতে গেলে তাদের এমন পোশাকই পরতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আমি এই প্লাটফর্মটি তৈরী করেছি এ দেশের সাধারণ মানুষের কন্ঠস্বর হিসাবে পরিচালিত করার জন্য।আমরা অবিরত থাকবো সততা নিয়ে সত্যের সাথে। দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা এ দেশের নির্যাতিত ও নিপীড়িত গনমানুষের কথা বলবে এবং সত্য প্রকাশে থাকবে আপোষহীন।
ট্যাগস :

মুম্বাইয়ের কলেজে জিন্স ও টি-শার্ট নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ০১:২৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রিয়াজ মিয়া

ভারতের মুম্বাইয়ের চেম্বুর এলাকার আচার্য অ্যান্ড মারাঠে কলেজে ছেঁড়া জিন্স ও টি-শার্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে নতুন একটি ‘ড্রেস কোড’ জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর হিজাবসহ বেশ কয়েকটি পোশাক পরিধানে নিষেধাজ্ঞা দেয় মুম্বাইয়ের এই কলেজ। পরে সেই নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে আবেদন করেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন মুম্বাই হাইকোর্ট।

এরপর কলেজ থেকে গত ২৭ জুন ‘ড্রেস কোড ও অন্যান্য নিয়ম’ শীর্ষক এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে বলা হয়, ‘ছেঁড়া’ জিন্স, টি-শার্ট, খোলামেলা পোশাক ও জার্সি পরে কলেজে আসা যাবে না।

কলেজের অধ্যক্ষ ড. বিদ্যাগৌরী লেলে স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে থাকাকালীন আনুষ্ঠানিক ও শালীন পোশাক পরতে হবে। তারা হাফ বা ফুল শার্ট ও ট্রাউজার পরতে পারেন। মেয়েরা ভারতীয় বা পশ্চিমা যেকোনো পোশাক পরতে পারেন। তবে শিক্ষার্থীরা এমন কোনো পোশাক পরবে না, যা ধর্ম বা সাংস্কৃতিক বৈষম্য দেখায়।’

আচার্য অ্যান্ড মারাঠে কলেজের এই ড্রেস কোডের ব্যাপারে গোভান্দি সিটিজেন অ্যাসোসিয়েশনের আতিক খান বলেন, ‘গত বছর তারা হিজাব নিষিদ্ধ করেছিল। এই বছর তারা জিন্স ও টি-শার্ট নিষিদ্ধ করেছে, যা শুধুমাত্র কলেজগামী যুবক-যুবতীরাই নয় বরং ধর্ম ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই পরেন। আমরা বুঝতে পারছি না, তারা এ ধরনের ‘অবাস্তব’ ড্রেস কোড এনে শিক্ষার্থীদের ওপর কী চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।’

তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের করপোরেট ওয়ার্ল্ডের জন্য প্রস্তুত করার জন্যই এই নিয়ম।

অধ্যক্ষ ড. লেলের ভাষ্যমতে, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শালীন পোশাক পরুক। আমরা কোনো ইউনিফর্ম পরতে বলছি না। তবে তাদের ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় বা পশ্চিমা পোশাক পরতে বলেছি। সর্বোপরি, চাকরি করতে গেলে তাদের এমন পোশাকই পরতে হবে।’