
জসীমউদ্দিন মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহেশখালী উপজেলার মাতার বাড়িতে অবস্থিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
পরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী ইউনিয়নের বাহারছড়া গ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য বাস গৃহ নির্মাণ নতুন কর্মসূচির আওতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাহার ছড়া জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করেন।
সমুদ্র সৈকতের তীরে স্থানীয় বিএনপি’র আয়োজনে জনসভায় যোগদেন সরকার প্রধান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবস্থা, ও কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করছে সরকার। আলোচনা সাপেক্ষে অতি শিগগিরই লবণের দাম নির্ধারণ করা হবে।
কিছু মানুষ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে যেন নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে দেশের উন্নতি চাইলে মানুষকে শান্তি-শৃঙ্খলা থাকতে হবে।
বাঁশখালির জনসভা শেষে রবিবার বিকেলে হেলিকপ্টার যোগে ফটিকছড়ি পেলাগাজীর দিঘী এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফটিকছড়ির স্থানীয় বিএনপি’র নেতৃবৃন্দরা তাকে অভ্যর্থনা জানান, সেখান থেকে ফটিকছড়ি আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম মাদ্রাসায় যান রাষ্ট্রপ্রধান আলেম ওলামা সহ মাদ্রাসার ছাত্ররা তাকে স্বাগত জানান। পরে হেফাজত ইসলামের আমির শাহ, মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। পরে মাদ্রাসার আয়োজিত মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম মাদ্রাসার আয়োজন শেষে সড়ক পথে হাটহাজারি উপজেলাতে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে আল জামিয়াতুল আম্বিয়া দারুল আল উলুম মইনুল ইসলাম মাদ্রাসায়,, হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহাম্মদ শফি হুজুরের কবর জিয়ারত করেন।
জিয়ারত শেষে হাটহাজারী কলেজ মাঠে জনসভায় উপস্থিত হয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করেন।
হাটহাজারী জনসভার আয়োজন শেষে চট্টগ্রাম রেডিসন ব্লু হোটেলে সাংগঠনিক সভায় উপস্থিত হন প্রাধানমন্ত্রী তারক রহমান। সাংগঠনিক সভা শেষে চট্টগ্রাম শাহআমানত বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।