মনিরামপুরে রমজানে মানবিকতার দৃষ্টান্ত My TV–এর জেলা প্রতিনিধি শরিফুল ইসলামের ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল
- আপডেট সময় : ১০:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

এমদাদুল হক, ক্রাইম রিপোর্টার মনিরামপুরঃ
যশোরের মনিরামপুরে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল My TV–এর যশোর জেলা প্রতিনিধি ও ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্য মোঃ শরিফুল ইসলাম।তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহৎ পরিসরের ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান।
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত প্রায় দুই শতাধিক রোজাদারের অংশগ্রহণে এ ইফতার মাহফিল আয়োজিত হয়।
রোজাদারদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিপাটি পরিবেশে ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। ইফতার শেষে উপস্থিত সকলের জন্য উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ব্যাপক সন্তুষ্টি সৃষ্টি করে।
আয়োজক মোঃ শরিফুল ইসলাম শুধু একজন টেলিভিশন সাংবাদিক নন; তিনি স্থানীয় রাজনীতি ও জনসেবার ক্ষেত্রেও সুপরিচিত মুখ। মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের একজন দায়িত্বশীল ইউপি সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর পাশে থেকে নানা সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। রমজান মাস এলেই তাঁর এ ইফতার আয়োজন যেন এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী মানবিক বার্তা বহন করে—সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান।
জানা যায়, প্রতি বছর দেড় শতাধিক থেকে দুই শতাধিক রোজাদারের জন্য ইফতার ও খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তিনি অংশগ্রহণকারীদের মাঝে মাই টিভির লোগো সংবলিত গেঞ্জি বিতরণ করে থাকেন। এতে করে একদিকে যেমন ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার হয়, অন্যদিকে সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, শরিফুল ইসলাম নিজেকে প্রচারের আলোয় আনতে আগ্রহী নন। বরং নীরবে-নিভৃতে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। মানবিক আচরণ, সহমর্মিতা ও আন্তরিকতার কারণে অনেকেই তাঁকে স্নেহভরে ডাকেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মনিরামপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মজনুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সমাজসেবীরা। উপস্থিত অতিথিরা শরিফুল ইসলামের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির চর্চা বাড়ায় এবং তরুণ প্রজন্মকে মানবিক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করে।
পবিত্র রমজানের তাৎপর্যকে ধারণ করে এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে—এমনটাই প্রত্যাশা



















