ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেশবাসী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জনাব তারেক রহমান ঠাকুরগায়ে গন অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার দীর্ঘ ২৩ বছর পরে আজিজ আহমেদ কলেজ ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল কমপ্লিট শাটডাউনে পবিপ্রবি বরিশাল ক্যাম্পাস একটি সুন্দর পরিবেশ বান্ধব উন্নত ও সমৃদ্ধ রূপগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে, জনাব মোঃ দুলাল হোসেনের অঙ্গীকার তিন দফা দাবিতে পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ পবিপ্রবিতে ১৪ কর্মকর্তার নিয়োগে দুর্নীতির গুঞ্জন,তদন্তে নেমেছে দুদক সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর ইন্তেকাল:গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারীর নাতি চবিতে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত, সব পরীক্ষা স্থগিত :পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার

বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট দুর্ভোগে রোগীরা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:-

সংগঠনের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসাধীন রোগীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশন এবং বঙ্গবন্ধু ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের পৃথক দুটি কমিটি মঙ্গলবার অনুমোদন দিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম। দুটি কমিটিতে পদ বঞ্চিত এবং কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া চিকিৎসকরা মঙ্গলবার বেলা ১টা থেকে চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেন। ফলে হাসপাতালের ৯টি ইউনিটের চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে কমিটি সমর্থকরা দায়িত্ব পালন করে মেডিসিন ওয়ার্ডের ৩টি ইউনিট সচল রেখেছে। শেবাচিম হাসপাতালে ১৯০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক পালাক্রমে এ দায়িত্ব পালন করেন।

আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সদ্য ঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি সাদমান বাকির সাবাব বলেন, ঘোষিত ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির পদধারী ১৮জন ওই কমিটির বিপরীতে অবস্থান করছেন। তাই কমিটির গ্রহণযোগ্যতা থাকার প্রশ্নই আসে না। কমিটির সভাপতি বিএনপি জামাত পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি ঘোষণা দেওয়া পর্যন্ত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সেবায় ফিরবেন না।

ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতি ডা. ইমরান হোসেন দাবি করেন, কমিটি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যারা আন্দোলন করছেন তারা সভাপতি-সম্পাদক পদ চাচ্ছেন। যোগ্যতার বিচারে এই কমিটি হয়েছে। সাধারণ চিকিৎসকরা কমিটির নেতৃত্ব মেনে কাজ করছেন। ধর্মঘটে সাধারণ চিকিৎসকরা সাড়া দেননি। সুতরাং চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে না।

বঙ্গবন্ধু ইন্টার্ন ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. রেজা তৈমুর মাহমুদ বলেন, সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহর সুপারিশে কমিটি হয়েছে। হাসপাতাল পরিচালক অনুমোদন দিয়েছেন। ওই অনুমোদনের ভিত্তিতে আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। কমিটির বিরোধীতাকারী একটি পক্ষ ধর্মঘটে গেলেও সাধারণ চিকিৎসকরা তাতে সাড়া দেননি।

একই সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এহসান শাহরিয়ার বলেন, সিটি মেয়রকে ভুল বুঝিয়ে সুপারিশ আনা হয়েছে। এতে মদদ দিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম। আমরা এই পকেট কমিটি মানি না। মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশন এবং বঙ্গবন্ধু ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের দুটি কমিটি সুপারিশ করেছেন সিটি মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে তিনি মঙ্গলবার দুটি কমিটি অনুমোদন দেন। এতে পদবঞ্চিতরা ক্ষুব্ধ হয়ে মঙ্গলবার দুপুর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন।

পরিচালক বলেন, কমিটি সমর্থক চিকিৎসকরা দায়িত্ব পালন করছেন। একাংশের ধর্মঘটের কারণে চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। এই পত্রিকার মূল স্লোগান হলো "সত্য প্রকাশে আপোষহীন"।আমরা এ দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের কথা বলি।একজন অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে অন্যায় প্রতিরোধে সাহায্য করতে আমরা সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা গনমানুষের কথা বলে।
ট্যাগস :

বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট দুর্ভোগে রোগীরা।

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার:-

সংগঠনের কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসাধীন রোগীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশন এবং বঙ্গবন্ধু ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের পৃথক দুটি কমিটি মঙ্গলবার অনুমোদন দিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম। দুটি কমিটিতে পদ বঞ্চিত এবং কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া চিকিৎসকরা মঙ্গলবার বেলা ১টা থেকে চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেন। ফলে হাসপাতালের ৯টি ইউনিটের চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে কমিটি সমর্থকরা দায়িত্ব পালন করে মেডিসিন ওয়ার্ডের ৩টি ইউনিট সচল রেখেছে। শেবাচিম হাসপাতালে ১৯০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক পালাক্রমে এ দায়িত্ব পালন করেন।

আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সদ্য ঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি সাদমান বাকির সাবাব বলেন, ঘোষিত ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির পদধারী ১৮জন ওই কমিটির বিপরীতে অবস্থান করছেন। তাই কমিটির গ্রহণযোগ্যতা থাকার প্রশ্নই আসে না। কমিটির সভাপতি বিএনপি জামাত পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি ঘোষণা দেওয়া পর্যন্ত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সেবায় ফিরবেন না।

ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতি ডা. ইমরান হোসেন দাবি করেন, কমিটি সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যারা আন্দোলন করছেন তারা সভাপতি-সম্পাদক পদ চাচ্ছেন। যোগ্যতার বিচারে এই কমিটি হয়েছে। সাধারণ চিকিৎসকরা কমিটির নেতৃত্ব মেনে কাজ করছেন। ধর্মঘটে সাধারণ চিকিৎসকরা সাড়া দেননি। সুতরাং চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে না।

বঙ্গবন্ধু ইন্টার্ন ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. রেজা তৈমুর মাহমুদ বলেন, সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহর সুপারিশে কমিটি হয়েছে। হাসপাতাল পরিচালক অনুমোদন দিয়েছেন। ওই অনুমোদনের ভিত্তিতে আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। কমিটির বিরোধীতাকারী একটি পক্ষ ধর্মঘটে গেলেও সাধারণ চিকিৎসকরা তাতে সাড়া দেননি।

একই সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এহসান শাহরিয়ার বলেন, সিটি মেয়রকে ভুল বুঝিয়ে সুপারিশ আনা হয়েছে। এতে মদদ দিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম। আমরা এই পকেট কমিটি মানি না। মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশন এবং বঙ্গবন্ধু ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের দুটি কমিটি সুপারিশ করেছেন সিটি মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে তিনি মঙ্গলবার দুটি কমিটি অনুমোদন দেন। এতে পদবঞ্চিতরা ক্ষুব্ধ হয়ে মঙ্গলবার দুপুর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন।

পরিচালক বলেন, কমিটি সমর্থক চিকিৎসকরা দায়িত্ব পালন করছেন। একাংশের ধর্মঘটের কারণে চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।