
মোঃ আঃ কুদ্দুস খান,মঠবাড়ীয়া পিরোজপুর প্রতিনীধি।
মাছে ভাতে বাংলাদেশ অবৈধ জাল দিয়ে করব শেষ।
গটনাটি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলার সকল ইউনিয়ন তথা বলেশ্বর নদীর তুষখালী টু সাংরাইলে পিরোজপুর জেলার মৎস্য কর্মকর্তার সরাসরি ইন্দন,মাসিক দালালের সাথে চুক্তিতে ৫০০ শত বাধা জাল নদীতে পেতে মাসিক ২০-৫০ হাজার টাকার বিনিময় বা লেনদেনের মাধ্যমে জাল ফেলার অনুমতি প্রদান করে।আর তাতে প্রতিট বাধা জালে সকল জাতীয় পোনা মাছ শত শত টন সমুলে বিনষ্ট করে। মাজে মাজে মোবাইল কোট নামলেই সোর্সের মাধ্যমে জানিয়ে দিলে জেলেরা ঐ দিন জাল পাতা থেকে বিরত থাকে।
এদিকে মঠবাড়ীয়ার সকল,মাঠ,খাল,বিল,নালায় বেহুন্দী,গড়া,চড় গড়া চায়না জুয়ারী,বোডা জাল দিয় খাল বিল,নাল সম্পুর্ন আটকিয়ে কৃষকের বীজ খোলা একেবারে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে আসছে।বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে কৃষকেরা অভিযোগ আলাপ করলেও মৎস্য দপ্তর কোন কর্নপাত না করায় ভুক্ত ভোগীরা নিরাসও হতাশায় ভুগতেছে।
একদিকে কৃষকের সর্বনাশ,অন্যদিকে দেশীয় প্রজাতির মাছ শেষ।এই নিয়ে মৎস্য সেক্টর অবৈধ পন্হায় কোটি কোটি টাকা জেলেদের নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে।আর এই সিন্ডিকেট তুষখালী টু সাংরাইল পর্যন্ত নিয়ন্ত্রন করছে।
বিষয়টি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক মঠবাড়ীয়া কে জানালে সে অপরাগতা প্রকাশ সহ জনবল ও অর্থ সংকটের কথা বলেন।
এবং তার হাতে কোন কাজ নাই জানান।
এদিকে জেলেদের চাল বিতরনে মৎস্য সমিতির প্রতিনিধি নিয়ে তালিকা করন ও,চাল বিতরনের মৎস্য মন্ত্রনালয়ের আদেশ থাকলেও সমিতির প্রতিনিধি বাদ দিয়ে ইচ্ছামত সকল কাজ অভিন্ন গতিতে চালাচ্ছে।এ বিষয় মৎস্যজীবিরা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও ক্ষোপ প্রকাশ করছে।
তবে এলাকা বাসীর ক্ষোভ ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে এই অবৈধ জাল বিক্রী করছে।
মানছেনা না কোন বিধি নিষেধ।করছে প্রশাসনের তোয়াক্কা।