প্রযুক্তি খাতে মিলতে পারে বড় করমুক্তি

- আপডেট সময় : ০৪:৩৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪ ৮১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রিয়াজ মিয়া
চলছে নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার ক্ষণ গণনা। বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন পঞ্চম মেয়াদের সরকারের প্রথম বাজেট। বাজেট উপস্থাপন করতে ইতোমধ্যে লাল ব্রিফকেস হাতে সংসদে পা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার হতে পারে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। আর এবারের বাজেটের প্রতিপাদ্য ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’। প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে প্রাধান্য দিয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার, যার মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের করছাড়। এই প্রেক্ষিতে খবর পাওয়া গেছে, সরকার এবার বড় ধরনের করমুক্তি ঘোষণা করতে পারে প্রযুক্তি কেন্দ্রিক ব্যবসার অন্তত ২০টি খাতে। আর এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, লেনদেন হতে হবে ক্যাশলেস ও ডিজিটাল মাধ্যমে।
অর্থমন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ২০৪০ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য নিয়ে প্রযুক্তি কেন্দ্রিক স্মার্ট ব্যবসায় ক্যাশলেস লেনদেনের শর্তে ব্যবসায়ীদের এবার বড় ধরনের করমুক্তির সুবিধা দেওয়া হবে। এর মধ্যে শতভাগ করমুক্তি সুবিধা ভোগ করবেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেন্দ্রিক প্রযুক্তি খাত, ব্লকচেইন কেন্দ্রিক খাত, রোবোটিক্স প্রেসস আউটসোর্সিং, সফটওয়্যার ও সাইবার সিকিউরিটি কেন্দ্রিক খাতের ব্যবসায়ীরা।
এছাড়াও ডিজিটাল ডাটা অ্যানালাইসিস ও ডাটা সায়েন্স, মোবাইল অ্যাপলিকেশন ডেভলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট ও কাস্টমাইজেশন, সফটওয়্যার টেস্ট ল্যাব সার্ভিস, ওয়েব লিস্টিং ও ওয়েব ডেভলপমেন্ট সার্ভিস, জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন ও ডিজিটাল এনিমেশন, ডিজিটাল গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল ডাটা এন্ট্রি, ই-লার্নিং ও ই-পাবলিকেশন, আইটি ফ্রিল্যান্সিং, কল সেন্টার সার্ভিস এবং ডকুমেন্টশন, ইমেজিং ও ডিজিটাল আর্কাইভ কেন্দ্রিক ব্যবসায়ও দেওয়া হবে এ করমুক্তির সুবিধা।
প্রযুক্তিভিত্তিক এসব ব্যবসার প্রসারের জন্য আগামী তিন বছর পর্যন্ত এ করমুক্তির সুবিধা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে।
বলা হচ্ছে, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট প্রস্তাবনা ঘোষণা হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (৬ জুন)। প্রায় আট লাখ কোটি টাকার এ ‘মেগা বাজেট’ বাস্তবায়নে সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা।