
মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):চট্টগ্রামের রাউজানে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও গুণী ব্যক্তিত্ব প্রয়াত নির্মল পালিতের স্মরণে স্মৃতিচারণ ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাউজান উপজেলার ১৪ নম্বর বাগোয়ান ইউনিয়নের গশ্চি ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাধাকৃষ্ণ মন্দির বাড়ির বরদা ভবনে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ নূর নবী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জিসা চাকমা,রাউজান উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, রাউজান উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সীমা রাণী সেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন রাউজান উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি লিটন মহাজন লিটু।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি দোলন কৃষ্ণ ঘোষ, দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় গঙ্গা মন্দির উৎসব কমিটির সভাপতি দুলাল কান্তি দাশ, দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি অনিরুদ্ধ অপু, রাউজান প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক এ কে বাবর, রাউজান উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সহ-দপ্তর সম্পাদক শিবু প্রসাদ ভট্টাচার্য, রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের প্রচার সম্পাদক এস বি সুজন এবং দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুজন দাশসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক সমিতির দক্ষিণ রাউজান শাখার সাধারণ সম্পাদক সুজন দাশ গুপ্ত। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান শিক্ষক সমিতির সভাপতি পবন চক্রবর্তী, শিক্ষক সঞ্জিত নন্দী, শিক্ষক রূপন চক্রবর্তী, শিক্ষক শ্যামল দে, শিক্ষক সত্যরঞ্জন দাশসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উত্তম পালিত ও উৎপল পালিত।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, প্রয়াত নির্মল পালিত ছিলেন একজন সৃজনশীল, সমাজসচেতন ও আলোকিত মানুষ। সমাজসেবা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। তাঁর মৃত্যুতে সমাজ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
বক্তারা আরও বলেন, নির্মল পালিতের কর্মময় জীবন, সমাজের প্রতি তাঁর দায়িত্ববোধ এবং মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর আদর্শ ও ভালো কাজগুলো অনুসরণ করাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
স্মরণসভা শেষে প্রয়াত নির্মল পালিতের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয় এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।