প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ, দক্ষিণ প্লাজায়
- আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৯১ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ হানিফ,স্টাফ রিপোর্টার ফেনী:
ঐতিহাসিক আয়োজন — আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
ঢাকা, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি): দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রার মধ্য দিয়ে। বিকাল ৪টার পর মো. সাহাবুদ্দিন নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করান। রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
শপথ অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যবৃন্দ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রার প্রতি আগ্রহ ও সমর্থনের ইঙ্গিত বহন করে।
২৫ সদস্যের মন্ত্রিসভার শপথ
নবগঠিত মন্ত্রিসভার ২৫ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তারা সংবিধান রক্ষা, দেশের সার্বভৌমত্ব অটুট রাখা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের অভিনন্দন
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবুল কাশেম সাহেব এবং একই সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ (সাংবাদিক) নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন,
“নতুন সরকারের কাছে জাতি অনেক প্রত্যাশা রাখে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, মানবাধিকারসম্মত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। মানবাধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
তারা আরও উল্লেখ করেন,
“দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে নতুন সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষ করে মানবাধিকার সুরক্ষা, দুর্নীতি দমন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।”
নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুসংহত করাও সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবে।
দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নতুন সরকারের যাত্রা ঘিরে দেশব্যাপী বিভিন্ন মহলে আশাবাদ ও প্রত্যাশার সুর লক্ষ করা গেছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আরেকটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো—এবার দেখার পালা, প্রতিশ্রুত উন্নয়ন ও সুশাসনের পথে সরকার কতটা সফলভাবে এগিয়ে যেতে


















