
পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলার মৎস্য অফিসের আতংকিত নাম সাইফুল ইসলাম প্রিন্স।
নাম সাইফুল ইসলাম প্রিন্স মঠবাড়ীয়া মৎস্য অফিসের এক আতংকিত নাম।চাকুরী করত দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষন ও উন্নয়ন প্রকল্পে।তৎকালীন এমপি ডাঃ রুস্তুম আলী ফরাজী,ও উপজেলা চেয়ারম্যান আশ্রাফের আস্হাভাজন হিসেবে যোগ্যদের বাদ দিয়ে ভাইবার কাগজ ছিড়ে নুতন কাগজ তৈরী করে চাকুরীতে নিয়োগ দিয়েছিল তারা মৎস্য অফিসে।এই সুবাধে গরু, ছাগল,জাল বিতরনে অনিয়মের কেলেংকারীর অভিযোগে চাকুরী হারান প্রিন্স।অভিযোগের তদন্ত করেন খুলনা ও বরিশাল ভিভাগীয় মৎস্য কর্মকর্তা। অভিযোগের আলোকে তারা মাঠে গিয়ে দেখেন মাষ্টার রোলে নাম আছে অথচ তার গোয়ালে গরু নাই ছাগল নাই এর মধ্যে তুষখালীর জানখালী গ্রামে পাওয়া যায় ৫ জন কে।তাদের তালিকায় নাম থাকলেও গরু থেকে বঞ্চিত তারা।বাদশা,হেমায়েত,জাহাঙ্গীর সহ ১০ জন সাক্ষী দেয়।এদিকে মৎস্যজীবিদের জেলে কার্ড করে দেওয়ার জন্য হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা তরিকুল বেতমোর ৪০ হাজার,সন্তোশ কচুবাড়ীয়া ১০,০০০,ইসমাইল সাপলেজা ১৩০০০৳সহ শতাধীক।অন্যদিকে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা করার দায়িত্বে থাকে এই প্রিন্স।মিটিং এ ১৪০এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা বরাদ্ধ থাকেল ও ১০০ প্যাকেট ১০,০০০ হাজার।ডেকারেটর ৫০০০৳ যাতায়াত ১০,০০০। ২০/২৫ হাজার টাকা খরচ করে বাকী টাকা তার পকেটে।সাপলেজা একটা সচেতনতা সভা হলেও ডেকারেটর করার করার জন্য আমাকে অনুরোধ করে।মিটিং শেষ করে টাকা দিবে বলে আর টাকা দিল না প্রিন্স।হলতা গুলিচা খালী কোন নদী নাই অথচ সকল বরাদ্ধ এবং প্রকল্প ওর নিজের এলাকায় এভাবে প্রতারনা করে সে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে তার সাথের লোকেরা তো সোনার হরিন।এই লোক কিভাবে পুনরায় সেই চাকুরীতে পুর্ন বহাল হয়?
বিষয়টি নিয়ে প্রকল্প পরিচালকের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান।স্হানীয় প্রশাসন সুপারিশ করলে আমি দিতে বাধ্য।
উপজেলা সিঃ মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দিলে আমার কি করার।
কিন্তু জনগনের বা জেলেদের প্রশ্ন তাদের নিকট থেকে নেওয়া বা পাওনা টাকাটা কে দিবে।