ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তৈমূর আলম খন্দকারের তৃণমূল বিএনপির নেতা শাহ আলম বেপারী বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের যুগ্ন আহবায়ক নির্বাচিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)সাধারণের ঈদ ফিরতি যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে করার লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান আঘাত দুইদিন ব্যাপী নিজ বাড়িতে রোগী দেখছেন ডাক্তার শহিদুল আলম শায়েস্তাগঞ্জে এনা পরিবহনের বাস খাঁদে পড়ে শিশুসহ ২০ জন আহত গাবখালী নাম যজ্ঞে মনিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি মোঃ জাকির হোসেনের উপস্থিতি কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডাঃ শহিদুল আলমের মতবিনিময় শরীয়তপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ সংস্কারের আগে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন জরুরি: রাশেদ খান বি আই ডব্লিউটি এর মাধ্যমে ড্রেজিং করে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মানবন্ধন

পশ্চিম গুজরায় স্বপন দে’র বাড়িতে ২১তম বাসন্তী উৎসব উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ ৭ বার পড়া হয়েছে

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান:-রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরায় স্বর্গীয় স্বপন দে’র বাড়িতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ২১তম বাসন্তী উৎসব ও প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠান। চার দিনব্যাপী এ ধর্মীয় আয়োজন ৩ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়।

প্রথম দিন, ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় মহাষষ্ঠী পূজা, মায়ের বরণ ও ধুনুচি নৃত্য প্রতিযোগিতা।
৪ এপ্রিল মহাসপ্তমী পূজার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় জাগরণ ও পুঁথি পাঠ, যা পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ। ধর্মীয় পাল্টা কীর্তনে অংশ নেন বিকাশ দত্ত ও নিরঞ্জন সরকার।

৫ এপ্রিল মহাঅষ্টমী পূজার দিন ছিল গীতা পাঠ, ধর্মীয় সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। রাতে ক্ষুদে শিল্পীগোষ্ঠী ‘শ্রীজাতা বিশ্বাস (বন্যা)’ পরিবেশন করে বিশেষ থিমভিত্তিক অনুষ্ঠান “ভুবনে ভবানী”।
৬ এপ্রিল মহানবমীতে শ্রীমদ্ভগবদ গীতা পাঠ পরিবেশন করেন বিকাশ দত্ত ও তার দল। এদিন অনুষ্ঠিত হয় নৃত্য প্রতিযোগিতাও। রাতের মূল আকর্ষণ ছিল পার্থ দেওয়ানজীর নির্দেশনায় নাটক “ত্রিরূপে মাহামায়া”।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনধীর দে। উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দন বিশ্বাস, নেপাল কর, সুধীর মহুুরী ও গৌরাঙ্গ প্রসাদ দে।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শংকর কান্তি দাশ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রুরেল দে, রাসেল দে, বিটু দে, জনি দে, রনি দে, রবিন দে, রুপু দে, অপু দে সহ উৎসব কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।

প্রতি বছরের মতো এবারও এ উৎসবে অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো ভক্ত-নরনারী সমবেত হন, যা রাউজানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আমি এই প্লাটফর্মটি তৈরী করেছি এ দেশের সাধারণ মানুষের কন্ঠস্বর হিসাবে পরিচালিত করার জন্য।আমরা অবিরত থাকবো সততা নিয়ে সত্যের সাথে। দৈনিক বাংলাদেশের চিত্র পত্রিকা এ দেশের নির্যাতিত ও নিপীড়িত গনমানুষের কথা বলবে এবং সত্য প্রকাশে থাকবে আপোষহীন।
ট্যাগস :

পশ্চিম গুজরায় স্বপন দে’র বাড়িতে ২১তম বাসন্তী উৎসব উদযাপন

আপডেট সময় : ০২:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান:-রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরায় স্বর্গীয় স্বপন দে’র বাড়িতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ২১তম বাসন্তী উৎসব ও প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠান। চার দিনব্যাপী এ ধর্মীয় আয়োজন ৩ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়।

প্রথম দিন, ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় মহাষষ্ঠী পূজা, মায়ের বরণ ও ধুনুচি নৃত্য প্রতিযোগিতা।
৪ এপ্রিল মহাসপ্তমী পূজার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় জাগরণ ও পুঁথি পাঠ, যা পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ। ধর্মীয় পাল্টা কীর্তনে অংশ নেন বিকাশ দত্ত ও নিরঞ্জন সরকার।

৫ এপ্রিল মহাঅষ্টমী পূজার দিন ছিল গীতা পাঠ, ধর্মীয় সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। রাতে ক্ষুদে শিল্পীগোষ্ঠী ‘শ্রীজাতা বিশ্বাস (বন্যা)’ পরিবেশন করে বিশেষ থিমভিত্তিক অনুষ্ঠান “ভুবনে ভবানী”।
৬ এপ্রিল মহানবমীতে শ্রীমদ্ভগবদ গীতা পাঠ পরিবেশন করেন বিকাশ দত্ত ও তার দল। এদিন অনুষ্ঠিত হয় নৃত্য প্রতিযোগিতাও। রাতের মূল আকর্ষণ ছিল পার্থ দেওয়ানজীর নির্দেশনায় নাটক “ত্রিরূপে মাহামায়া”।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রনধীর দে। উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দন বিশ্বাস, নেপাল কর, সুধীর মহুুরী ও গৌরাঙ্গ প্রসাদ দে।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শংকর কান্তি দাশ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রুরেল দে, রাসেল দে, বিটু দে, জনি দে, রনি দে, রবিন দে, রুপু দে, অপু দে সহ উৎসব কমিটির অন্যান্য সদস্যরা।

প্রতি বছরের মতো এবারও এ উৎসবে অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো ভক্ত-নরনারী সমবেত হন, যা রাউজানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠে।