
মোহাম্মদ হানিফ, স্টাফ রিপোর্টার ফেনী:
শিক্ষার মান রক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের ছাঁটাই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন সচেতন মহল; কঠোর একাডেমিক নীতির দাবি।
সোনাগাজী সরকারি কলেজে নির্বাচনী পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন না করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কলেজের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সচেতন নাগরিকদের একটি অংশ।
তাদের মতে, শিক্ষার মান উন্নয়ন, পাশের হার বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করতে কলেজ প্রশাসনের এমন কঠোর সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী। তারা মনে করেন, নির্বাচনী পরীক্ষায় ৩ বা ততোধিক বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিলে প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি ও পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ নিশ্চিত করতে আরও কঠোর মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রয়োজন। তাদের ভাষ্য, শিক্ষার্থীরা যদি শুরু থেকেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে প্রস্তুতি নেয়, তবে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না।
এদিকে, অকৃতকার্য কয়েকজন শিক্ষার্থীর সংবাদ সম্মেলন ও রেজিস্ট্রেশনের দাবিকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনাও চলছে। সমালোচকদের দাবি, আগে একাডেমিক ফলাফল উন্নয়নের দিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বলছে, মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের আরেকটি সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও মান বজায় রাখতে নিয়মিত ক্লাস, কঠোর মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষকের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। তারা বলেন, একাডেমিক নীতিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে কলেজটির ফলাফল ও সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া মন্তব্য
“ক্লাসে অনুপস্থিতি, পড়াশোনায় অনাগ্রহ এবং পরীক্ষায় বারবার ব্যর্থতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে কঠোর একাডেমিক নীতির বিকল্প নেই। শিক্ষার মান রক্ষায় কলেজ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত প্রশংসার দাবিদার।”